Skip to main content

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI


ভারতে নদীর গুরুত্ব


উচ্চ পর্বত বা উচ্চভূমি থেকে নির্গত হয়ে নদী যখন সুদীর্ঘ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়, তখন তা অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। কিন্তু শুধু প্রাকৃতিক শােভা সৃষ্টি করাই নদীর কাজ নয়। মানবসভ্যতায় নদীর অন্যান্য গুরুত্ব অসীম। বিশেষত সুপ্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় সভ্যতায় নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। ভারতের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদীর উপত্যকায় গড়ে উঠেছিল। বৈদিক সভ্যতার কালেও নদীর তীরেই অধিকাংশ রাজধানী ও নগর স্থাপিত হয়েছিল। দৃষ্টান্তস্বরূপ গঙ্গানদীর তীরে অবস্থিত কাশী, পাটলিপুত্র ইত্যাদি নগরের নাম উল্লেখ করা যায়। এছাড়া নদীগুলি যাতায়াতের এবং মালপত্র পরিবহনের প্রধান উপায় ছিল। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলিতে বছরের সবসময় পর্যাপ্ত জল থাকে না এবং আরও নানা কারণে এগুলি সারাবছর পরিবহনের উপযুক্ত থাকে না। কিন্তু উত্তর ভারতের গঙ্গা, ব্ৰত্মপুত্র এবং অন্যান্য বহু নদীতে সারাবছর প্রচুর জল থাকে বলে পরিবহন, জলসেচ ইত্যাদি কাজে এগুলি প্রভূত উপকার করে।বর্তমান যুগেও নদী প্রাচীনকালের মতােই মানবসভ্যতার সেবা করছে। কলকাতা মহানগরী হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত। এই হুগলি নদীর দুই তীরেই পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞল অবস্থিত। অসমের ডিব্ৰুগড়, গুয়াহাটি ইত্যাদি শহর ব্রম্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত। উত্তর ভারতের বিখ্যাত কানপুর শিল্পনগরী গঙ্গার তীরে অবস্থিত। শিল্পের জন্য মালপত্র এবং প্রচুর লােকজন পরিবহনের কাজে বর্তমান যুগেও নদীগুলির গুরুত্ব যথেষ্ট। হুগলি নদীর দুই তীরে যেসব পাটকল ও অন্যান্য কারখানা আছে, সেগুলি নদীর বুকে জেটি তৈরি করে যেভাবে কাঁচাপাট ও অন্যান্য মালপত্র তুলবার ব্যবস্থা করছে, তা বেশ আকর্ষণীয় দৃশ্য।  নদীগুলি জলসেচের কাজেও প্রচুর সাহায্য করে। নদী থেকে খাল কেটে শস্যক্ষেত্র পর্যন্ত জলধারা প্রবাহিত করে ভারতে বিপুল পরিমাণ কৃষিকাজ করা হয়। তা ছাড়া নদীর প্রাথমিক গতির তীব্রতাকে কাজে লাগিয়ে ও উচ্চস্থানে নদীতে বাঁধ দিয়ে ভারতে যে পরিমাণ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তা রীতিমতাে উল্লেখযােগ্য। নদীগুলি থেকে প্রচুর পরিমাণ মাছও পাওয়া যায়। কলকাতা, কানপুর, বারাণসী, গুয়াহাটি ইত্যাদি শহরের কাছে স্টিমলঞ্চ, স্টিমার, নৌকা প্রভৃতির দ্বারা লক্ষ লক্ষ লােকের পরিবহন কাজ হয়।। দুঃখের বিষয়—কারখানাগুলি থেকে, স্টিমার ইত্যাদি থেকে এবং অন্যান্যভাবে বর্তমানে নদীগুলির বিশেষত গঙ্গানদীর জল দূষিত হয়ে উঠেছে। সরকার গঙ্গানদীর দূষণরােধে ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। তবে এ-ব্যাপারে জনসাধারণের সহযােগিতাও প্রয়ােজন।যদি নদীগুলিকে পরিচ্ছন্ন রাখা যায়, তবে সেগুলি প্রবহমান কালের মতাে বর্তমান যুগেও মানুষের উপকার করবে। আর নদীর জল যদি দূষিত হয়ে চলে, তা মানুষের সর্বনাশ ডেকে আনবে।

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI


Popular posts from this blog

এই গরমে তরমুজ খান, নানা দিক থেকে শরীরকে দিন সুরক্ষা

১) অ্যান্টি অক্সিডেন্টের উতস: যখন আপনি একটা লাল টুকটুকে ঠান্ডা তরমুজের টুকরোতে কামড় বসাবেন, তখন হয়তো আপনার মনে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের ভাবনাটা আসবে না। কিন্তু এই ফলটির মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। আর এইসব উপকারী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীর থেকে ফ্রি র‌্যাডিক্যালসকে সরায়, যার ফলে ক্যানসারের সম্ভাবনা প্রতিহত হয়। এতে থাকা লাইকোপেন অ্যান্টি অক্সিডেন্টের জন্যই তরমুজের রং লাল। তরমুজের ভিটামিন সি ও লাইকোপেন ফ্রি র‌্যাডিক্যালসকে অতিরিক্ত ইলেকˆট্রন দেওয়া আটকায়। এর ফলে ফ্রি র‌্যাডিক্যালস বাড়তে বাড়তে সেলুলার ড্যামেজ হওয়া অনেকটা আটকায়। ২) ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়: তরমুজ খেলে মানবশরীরে কিডনি অ্যামাইনো অ্যাসিড এল সাইˆট্রুলিনকে অন্য একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড এল আরজিনাইনে রূপান্তরিত করে। এই দুটি অ্যামাইনো অ্যাসিড কিডনিকে সুরক্ষা দেয়, পাশাপাশি এটি ডায়াবেটিসের ঝুঁকিকেও অনেটাই কমায়। সমীক্ষায় দেখা গেছে এল আরজিনাইন সাপ্লিমেন্টেশন শরীরে গ্লুকোজ মেটাবলিজম ও ইনসুলিন সেনসিটিভটি বাড়ায়। ৩) এনার্জি দেয়: অনেকে ওয়ার্কআডটের পরের ড্রিংক হিসাবে তরমুজের রস খাওয়ার নিদান দেন। কেননা এর মধ্যেকার এল সাইˆট...

কুকুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Dog | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

কুকুর বাংলা রচনা - Bengali Essay on Dog | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI কুকুর  কুকুর গৃহপালিত পশু। কুকুর নানা জাতের ও নানা আকারের হয়। নানা জাতের কুকুর দেখতে পাওয়া যায়। কুকুর অত্যন্ত বিশ্বাসী প্রাণী। কুকুরের চারটি পা, দুটি কান, দুটি চোখ ও একটি ল্যাজ আছে। কুকুর খুব সাহসী এবং বুদ্ধিমান। এরা খুব সহজে পােষ মানে। কুকুর অত্যন্ত প্রভুভক্ত প্রাণী। এরা রাত জেগে প্রভুর বাড়ি পাহারা দেয়। চোর, ডাকাত, খুনি ধরার জন্য পুলিশ কুকুরের সাহায্য নেয়। পাগলা কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্ক রােগ হতে পারে। কুকুর ১২/১৫ বছর বাঁচে। কুকুর বাংলা রচনা - Bengali Essay on Dog | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

স্বাধীনতা দিবস - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Independence Day | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

স্বাধীনতা দিবস - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Independence Day | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI স্বাধীনতা দিবস আমাদের দেশ আজ স্বাধীন। ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালে আমরা এই স্বাধীনতা লাভ করেছি। এর আগে প্রায় দুশাে বছর আমাদের দেশ বিদেশি শক্তির পরাধীন ছিল। আজ আমরা যে স্বাধীনতা লাভ করেছি তার পিছনে আছে বহু শহিদের জীবন দানের ইতিহাস। তাই যাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের অমর আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা এই স্বাধীনতা দিবসে নিবেদন করি। স্বাধীন ভারতে এই দিনটি অত্যন্ত আড়ম্বরের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়। প্রত্যেক জাতির কাছেই তাদের স্বাধীনতা দিবস খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কাছেও ১৫ আগস্ট অতি পবিত্র দিন। আমাদের প্রতিজ্ঞা—জীবন দিয়ে আমরা দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করব। স্বাধীনতা দিবস - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Independence Day | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI স্বাধীনতা দিবস - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Independence Day | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI স্বাধীনতা দিবস - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Independence Day | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

সর্বশিক্ষা অভিযান - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Sarva Shiksha Abhiyan | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

সর্বশিক্ষা অভিযান - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Sarva Shiksha Abhiyan | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI  সর্বশিক্ষা অভিযান সর্বশিক্ষা অভিযানের মূল স্লোগান সবার উন্নতি, সবার জন্য শিক্ষা। ১৯৫০ সালে ভারতবর্ষের সংবিধানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং বাসভূমি ব্যবস্থার নির্দেশনা গৃহীত হয়েছিল। সেই সংবিধান স্বীকৃতি জানিয়েছিল সর্বজনীন অবৈতনিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক হবে। কিন্তু ২০০৭ সাল পর্যন্ত দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গ শুধু নয় ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রদেশে নিরক্ষরতার অবস্থান বিশেষ উদ্বেগজনক। নব্বই-এর দশক থেকে সারা দেশ জুড়ে সর্বশিক্ষা অর্থাৎ সকলের জন্য শিক্ষার এক নৈতিক অভিযান শুরু হয়। রাজ্য বাজেটের ২৬ শতাংশ অর্থ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ হলেও সমস্যার গভীরে এখনও উপনীত হওয়া যায়নি, ফলে কেন্দ্র, রাজ্য উভয়েই এক অভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। বাংলার ভূ-প্রকৃতির গঠন অনুসারে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের সমতলভূমিতে মানুষের প্রধান জীবিকাই হল কৃষি। সেই কৃষক এবং তার সহযােগী অনেক শিশু বাংলায় কৃষিকাজেই মননানিবেশ করে, ফলে গ্রামীণ সমাজব্যবস্থায় বহু কিশাের, কিশােরী বিদ্যায়তনের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হতে পারেনি। সেইসব পিছি...

গ্রীষ্মের দুপুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mid Day of Summer | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

গ্রীষ্মের দুপুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mid Day of Summer | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গ্রীষ্মের দুপুর গ্রীষ্মের দুপুরে সূর্য আগুন ঢালে। মানুষ-পশু-পাখি ছায়ায় আশ্রয় নেয়— কেউ ঘরের ছায়ায়, কেউ গাছের ছায়ায়। শহরে বাড়িতে বাড়িতে পাখা ঘােরে। রাস্তাঘাটে লােকজন নজরে কম আসে। পাতিকাকের ডাক, আইসক্রিমওয়ালার চিৎকারে সব কিছু কেমন থমথমে মনে হয়। গ্রামের গাছতলায় গােরু-বাছুর জড়াে হয়ে বিশ্রাম নিতে থাকে। রাখাল বালকেরা বাঁশি বাজায়। দু-একজন মানুষ মেঠো পথ দিয়ে ধীরে ধীরে চলতে থাকে। গাঁয়ের বধূরা দুপুরের স্নান সেরে কলশি কাধে ঘরে ফিরে চলে। ঘুঘু ডাকে একটানা। দাঁড়কাক ‘কাকা’ করে। কখনও কোনাে মােরগের চিৎকার মনটাকে উতলা করে তােলে। স্কুলের লেখাপড়া বন্ধ থাকে। ছােটো ছেলে-মেয়েরা ঘরের মাঝে চুপচাপ থাকতে বাধ্য হয়। গা দিয়ে অনবরত ঘাম ঝরতে থাকে। প্রচণ্ড গরমে কোথাও একটু স্বস্তি বা আরাম মেলে না। গ্রীষ্মের দুপুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mid Day of Summer | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গ্রীষ্মের দুপুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mid Day of Summer | Bangla Paragr...

একটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ স্থানে ভ্রমণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Travel to A History Famous Place | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

একটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ স্থানে ভ্রমণ  - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Travel to A History Famous Place | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI একটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ স্থানে ভ্রমণ তাজমহলের ছবি দেখেছি অনেক, তার সম্পর্কে রচিত কত কবিতা পড়েছি, শুনেছি কত মন-পাগল-করা গান। তাই অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত, কবিতা-মর্মরিত ও সংগীত-মুখরিত সেই পবিত্র সমাধি মন্দির দেখার ইচ্ছে আমার মনে বহুকাল ধরেই  সঞ্চিত রয়েছে। সেবারের পূজার ছুটিতে এল তাজমহল দেখার দুর্লভ সুযােগ। হাওড়া স্টেশনের যাত্রী, কুলি, বাক্স-সুটকেসের ভিড়, তুমুল হৈ-চৈ, ব্যস্ততা, কোলাহল পেরিয়ে বিকেল তিনটেয় পরিবারসহ আগ্রায় যমুনা নদীর তীরে গিয়ে হাজির হলাম। নানা মূল্যবান রত্নে খচিত তাজমহলের পাশ দিয়ে যমুনা কল্লোলিত রবে বয়ে চলেছে, নদীতে পড়েছে তার ছায়া। আমার আশৈশব স্বপ্নের তাজমহলকে দেখে মনে হল, যেন শ্বেত মর্মরের পাতায় রচিত একটি কালজয়ী অমর কবিতা—‘একবিন্দু নয়নের জল/কালের কপােলতলে শুভ্র সমুজ্জ্বল/এ তাজমহল। এই তাজমহলকে কেন্দ্র করেই কবি-সাহিত্যিকরা তাঁদের কবিতায় ও সংগীতে সম্রাট শাজাহানের পত্নীপ্রেমের গভীরতা ও তার অন্তর্বেদনাক...

ইদ উৎসব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Eid Festival | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ইদ উৎসব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Eid Festival | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI ইদ উৎসব হিন্দুদের যেমন দুর্গোৎসব মুসলমানদেরও তেমনি আনন্দের, আবেগের উৎসব ইদ। মুসলমানদের যতগুলি উৎসব আছে তার মধ্যে প্রধান উৎসব ইদ। ইদের চাঁদ দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন মসজিদের ইমামদের ঘােষণার পরই শুরু হয়ে যায় বহু আকাঙ্ক্ষিত ও প্রতীক্ষিত ইদ উৎসব। ইদের আগে একমাস ধরে যে কালটি তাকে বলা হয় রমজান মাস। এই সময় নিষ্ঠা ও অবশ্য করণীয় ও পালনীয় ধর্মীয় আচার-রীতি কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। একমাস কৃচ্ছসাধন ও কষ্টভােগের পর ইদের উৎসব আসে বলে বাঁধভাঙা আনন্দে সবাই মেতে ওঠে। ইদের উৎসবে হিন্দুদের বিজয়া দশমীর দিন যেমন পরস্পরের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়, একে অন্যকে যেমন খুশির আবেগে আলিঙ্গন করে, ইদের দিনেও তেমনি ঘটনা ঘটে। এদিন কারুর মনেই কোনাে সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণ মানসিকতা থাকে না। ইদ মােবারক বলে সবাই সবাইকে শুভেচ্ছা জানায়। রমজান মাসে মুসলমানরা যে ধর্মীয় আচার পালন করে তার নাম রােজা রমজান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনাে খাদ্য এমনকি জল পর্যন্ত গ্রহণ করে না। ইদের দিনে মু...

দেশপ্রেম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Patriotism | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

দেশপ্রেম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Patriotism | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI দেশপ্রেম স্বদেশ ও স্বজাতির প্রতি প্রীতিবােধ, স্বদেশের গৌরবে গৌরববােধ ও অধঃপতনে গ্লানিবােধ দেশপ্রেমের সাধারণ লক্ষণ। ইতিহাসের পাতা উল্টোলেই বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন জাতির স্বদেশপ্রেমের কথা আমরা জানতে পারি। ভারতবাসীরা যখন দীর্ঘ দু’শ বছর ধরে ইংরেজ জাতির কাছে পদানত ছিল তখনই ভারতবাসী দেশপ্রেমের মন্ত্রে দীক্ষা লাভ করে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে ইংরেজরা যখন নিজ প্রয়ােজনে নিজ উদ্যোগে বিদ্যালয় গড়ে তুললেন, তখন দেশের মুষ্টিমেয় মধ্যবিত্ত মানুষের মনে পাশ্চাত্য শিক্ষার আলােকে নববােধের ও দেশপ্রেমের উন্মেষ ঘটল। অতীত ভারতের গৌরবময় শৌর্যবীর্যের ইতিহাস, ইউরােপীয় জাতিগুলির দেশপ্রীতির ইতিহাস, ফরাসি বিপ্লব, আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ, ইংল্যাণ্ডের গৌরবময় বিপ্লব ও ইটালি-জার্মানির ঐক্যসাধনের ইতিহাস। দেশবাসীকে দেশপ্রেমের জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে গেল। এরই কর্মসূচী হিসাবে সমাজসংস্কারকেরা সমাজকে কুসংস্কার থেকে মুক্ত করতে এগিয়ে এলেন—করলেন স্ত্রীশিক্ষা প্রবর্তন, সতীদাহ প্রথা নিবারণ, বাল্যবিবাহ রােধ প্রভৃতি সামাজিক সংস্কার। এর পরব...

ভারতের জাতীয় খেলা : হাডুডু বা কাবাডি - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Indian National Game : Kabaddi | Bangla Paragraph Writing for Class IIII - VI

ভারতের জাতীয় খেলা : হাডুডু বা কাবাডি - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Indian National Game : Kabaddi | Bangla Paragraph Writing for Class IIII - VI ভারতের জাতীয় খেলা হাডুডু বা কাবাডি হাডুডু বা কাবাটি খেলায় সমস্ত শরীরের ভালো ব্যায়াম হয় । এই খেলা ক্ষিপ্ৰতা , ধৈর্য ও শৃঙ্খলাবোধ বাড়ায় ৷ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের গ্ৰামাঞ্চলে এই খেলাটি খুবই জনপ্রিয় ৷ এই খেলায় প্রত্যেক দলে ১২ জন করে খেলোয়াড় থাকে ৷ তার মধ্যে ৭ জন খেলায় অংশগ্রহণ করে, বাকি ৫ জন অতিরিক্ত খােলায়াড় ৷ দুটি অর্ধে খেলা হয় I প্রথম অর্ধে যে দল আক্রমণ করে , তাদের একজন খােলায়াড় মুখে হাডুডু, হাডুডু বা কাবাডি কাবাডি শব্দ করতে করতে বিপক্ষ দলের সীমানায় গিয়ে  কাউকে ছুঁয়ে নিজের সীমানায় ফিরে আসতে পারলে ১ পয়েন্ট পায় । যে খেলোয়োড়কে ছুঁয়ে দেয় যে আউট  হয়ে যায় ৷ অপর দিকে বিপক্ষ দল যদি … এই  খেলোয়াড়কে তাদের সীমানায় আটকে রাখতে পারে তারা ১ পয়েন্ট পায় ৷ একসঙ্গে কোনো দলের সাতজন খেলোয়াড়ই আউট হয়ে গেলে বিপক্ষ দল দুটি পয়েন্ট পায় I যিনি খেলা পরিচালনা করেন তাকে বলে আম্পায়ার ৷ এ ছাড়া  থাকেন দুজন লাইন্সম্যান...

বইমেলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Book Fair | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বইমেলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Book Fair | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বইমেলা বই মানুষকে এক জায়গায় করে মেলা। বইকে কেন্দ্র করে যে মেলা হয়, তাকে বইমেলা বলে। বইমেলার মাধ্যমে নতুন নতুন বইয়ের সঙ্গে পরিচিত হতে পারি। যে বই সাধারণ দোকানগুলিতে পাওয়া যায় না সেই বইগুলি দেখার ও কেনার  সুযােগ হয় বইমেলাতে। বই হল নীরব বন্ধু। এ বন্ধু কথা বলতে পারে না। কিন্তু সবসময়  উপকার করবার জন্যে অপেক্ষায় থাকে। বইমেলার উপকারিতা অপরিহার্য। যেমন— এক। বইমেলাতে দেশ-বিদেশের বই পাওয়া যায়। দুই। বইমেলায় চাহিদা মতাে দুষ্প্রাপ্য বই পাওয়া যায়। তিন। বইমেলায় লেখক, প্রকাশক ও নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যায়। বইমেলার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। মানুষের জানার ইচ্ছা যত বাড়বে, বইমেলার গুরুত্ব তত বাড়বে। বইমেলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Book Fair | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বইমেলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Book Fair | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বইমেলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Book Fair | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI