Skip to main content

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI


ভারতে নদীর গুরুত্ব


উচ্চ পর্বত বা উচ্চভূমি থেকে নির্গত হয়ে নদী যখন সুদীর্ঘ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়, তখন তা অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। কিন্তু শুধু প্রাকৃতিক শােভা সৃষ্টি করাই নদীর কাজ নয়। মানবসভ্যতায় নদীর অন্যান্য গুরুত্ব অসীম। বিশেষত সুপ্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় সভ্যতায় নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। ভারতের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদীর উপত্যকায় গড়ে উঠেছিল। বৈদিক সভ্যতার কালেও নদীর তীরেই অধিকাংশ রাজধানী ও নগর স্থাপিত হয়েছিল। দৃষ্টান্তস্বরূপ গঙ্গানদীর তীরে অবস্থিত কাশী, পাটলিপুত্র ইত্যাদি নগরের নাম উল্লেখ করা যায়। এছাড়া নদীগুলি যাতায়াতের এবং মালপত্র পরিবহনের প্রধান উপায় ছিল। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলিতে বছরের সবসময় পর্যাপ্ত জল থাকে না এবং আরও নানা কারণে এগুলি সারাবছর পরিবহনের উপযুক্ত থাকে না। কিন্তু উত্তর ভারতের গঙ্গা, ব্ৰত্মপুত্র এবং অন্যান্য বহু নদীতে সারাবছর প্রচুর জল থাকে বলে পরিবহন, জলসেচ ইত্যাদি কাজে এগুলি প্রভূত উপকার করে।বর্তমান যুগেও নদী প্রাচীনকালের মতােই মানবসভ্যতার সেবা করছে। কলকাতা মহানগরী হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত। এই হুগলি নদীর দুই তীরেই পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞল অবস্থিত। অসমের ডিব্ৰুগড়, গুয়াহাটি ইত্যাদি শহর ব্রম্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত। উত্তর ভারতের বিখ্যাত কানপুর শিল্পনগরী গঙ্গার তীরে অবস্থিত। শিল্পের জন্য মালপত্র এবং প্রচুর লােকজন পরিবহনের কাজে বর্তমান যুগেও নদীগুলির গুরুত্ব যথেষ্ট। হুগলি নদীর দুই তীরে যেসব পাটকল ও অন্যান্য কারখানা আছে, সেগুলি নদীর বুকে জেটি তৈরি করে যেভাবে কাঁচাপাট ও অন্যান্য মালপত্র তুলবার ব্যবস্থা করছে, তা বেশ আকর্ষণীয় দৃশ্য।  নদীগুলি জলসেচের কাজেও প্রচুর সাহায্য করে। নদী থেকে খাল কেটে শস্যক্ষেত্র পর্যন্ত জলধারা প্রবাহিত করে ভারতে বিপুল পরিমাণ কৃষিকাজ করা হয়। তা ছাড়া নদীর প্রাথমিক গতির তীব্রতাকে কাজে লাগিয়ে ও উচ্চস্থানে নদীতে বাঁধ দিয়ে ভারতে যে পরিমাণ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তা রীতিমতাে উল্লেখযােগ্য। নদীগুলি থেকে প্রচুর পরিমাণ মাছও পাওয়া যায়। কলকাতা, কানপুর, বারাণসী, গুয়াহাটি ইত্যাদি শহরের কাছে স্টিমলঞ্চ, স্টিমার, নৌকা প্রভৃতির দ্বারা লক্ষ লক্ষ লােকের পরিবহন কাজ হয়।। দুঃখের বিষয়—কারখানাগুলি থেকে, স্টিমার ইত্যাদি থেকে এবং অন্যান্যভাবে বর্তমানে নদীগুলির বিশেষত গঙ্গানদীর জল দূষিত হয়ে উঠেছে। সরকার গঙ্গানদীর দূষণরােধে ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। তবে এ-ব্যাপারে জনসাধারণের সহযােগিতাও প্রয়ােজন।যদি নদীগুলিকে পরিচ্ছন্ন রাখা যায়, তবে সেগুলি প্রবহমান কালের মতাে বর্তমান যুগেও মানুষের উপকার করবে। আর নদীর জল যদি দূষিত হয়ে চলে, তা মানুষের সর্বনাশ ডেকে আনবে।

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI







BIRTHDAY HOROSCOPE BY DATE OF BIRTH



January

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


February

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th


March

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


April

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


May

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


June

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


July

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


August

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


September

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


October

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


November

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


December

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st

Popular posts from this blog

শীতকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Winter | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

শীতকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Winter | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI শীতকাল  পৌষ ও মাঘ এই দু মাস শীতকাল I এই সময় রোদ খুব আরামদায়ক হয়ে ওঠে I আমাদের দেশে যেহেতু গরমের ভাব বেশি, তাই শীতকাল অনেকের কাছেই খুব প্রিয় ৷ ভোরে কুয়াশা ও রাতে শিশির পড়ে I দিন ছোটো ও রাত বড়ো হয় I চাষিরা মাঠ থেকে নতুন ধান কেটে আনে I শীত হল ফুলের ঋতু I কত রকমের যে ফুল ফোটে, তার ইয়ত্তা নেই I নানা ধরনের শাকসবজিও পাওয়া যায় I মানুষ চড়ুইভাতি করে I বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যায় I শীতল বাতাস মাঝে মাঝে গায়ে কাঁপুনি ধরায় I ঠান্ডা লেগে সর্দি, কাশি, জ্বর ইত্যাদি নানা রোগও এই সময় হয়৷ শীতকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Winter | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI শীতকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Winter | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI শীতকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Winter | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI Best Sellers in Bags, Wallets and Luggage | Best Sellers in Baby Products | Best Sellers in Shoes & Handbags | Best...

গ্রীষ্মের দুপুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mid Day of Summer | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

গ্রীষ্মের দুপুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mid Day of Summer | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গ্রীষ্মের দুপুর গ্রীষ্মের দুপুরে সূর্য আগুন ঢালে। মানুষ-পশু-পাখি ছায়ায় আশ্রয় নেয়— কেউ ঘরের ছায়ায়, কেউ গাছের ছায়ায়। শহরে বাড়িতে বাড়িতে পাখা ঘােরে। রাস্তাঘাটে লােকজন নজরে কম আসে। পাতিকাকের ডাক, আইসক্রিমওয়ালার চিৎকারে সব কিছু কেমন থমথমে মনে হয়। গ্রামের গাছতলায় গােরু-বাছুর জড়াে হয়ে বিশ্রাম নিতে থাকে। রাখাল বালকেরা বাঁশি বাজায়। দু-একজন মানুষ মেঠো পথ দিয়ে ধীরে ধীরে চলতে থাকে। গাঁয়ের বধূরা দুপুরের স্নান সেরে কলশি কাধে ঘরে ফিরে চলে। ঘুঘু ডাকে একটানা। দাঁড়কাক ‘কাকা’ করে। কখনও কোনাে মােরগের চিৎকার মনটাকে উতলা করে তােলে। স্কুলের লেখাপড়া বন্ধ থাকে। ছােটো ছেলে-মেয়েরা ঘরের মাঝে চুপচাপ থাকতে বাধ্য হয়। গা দিয়ে অনবরত ঘাম ঝরতে থাকে। প্রচণ্ড গরমে কোথাও একটু স্বস্তি বা আরাম মেলে না। গ্রীষ্মের দুপুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mid Day of Summer | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গ্রীষ্মের দুপুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mid Day of Summer | Bangla Paragr...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rabindra Nath Tagore | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rabindra Nath Tagore | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভূমিকা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলা হয় বিশ্বকবি। তাঁর রচিত সাহিত্য সমগ্র বিশ্বের এক অমূল্য সম্পদ। বিশ্বকবি ছিলেন সর্বব্যাপী প্রতিভার অধিকারী। জন্ম ও বংশ পরিচয় : কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে রবীন্দ্রনাথের জন্মহয় ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে। তার বাবার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মায়ের নাম সারদা দেবী। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ সুলেখক ছিলেন। দাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথের কাছে শৈশবে রবীন্দ্রনাথ কবিতা রচনায় উৎসাহ পেয়েছিলেন। ছাত্রজীবন : বাল্যকালে রবীন্দ্রনাথ ওরিয়েন্টাল সেমিনারি ওনর্মাল স্কুলে কিছুদিন লেখাপড়া করেছিলেন। স্কুলের পরিবেশ তার ভালাে না লাগায় স্কুল ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে মন দিয়ে লেখাপড়া করতে থাকেন। উচ্চশিক্ষার জন্যে তাঁকে বিলেতেও পাঠানাে হয়েছিল, কিন্তু সেখানেও তাঁর মন টেকেনি। তিনি দেশে ফিরে এসে কবিতা, গল্প, গান, নাটক লেখা শুরু করেন।সাহিত্যচর্চা ও কর্মজীবন : রবীন্দ্রনাথ অজস্র গান, কবিতা, লিখেছেন। লিখেছেন,অনেকগুলি নাটক, উপন্যাস ও গল্প। ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে...

বড়ােদিন - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Christmas | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বড়ােদিন - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Christmas | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বড়ােদিন নানা জাতির মানুষের মিলনক্ষেত্র হল ভারতবর্ষ। এখানে বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা হয়। খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক জিশুখ্রিস্ট ২৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সেই দিনটিকে স্মরণ করেই পালিত হয় বড়ােদিন উৎসব। আজ থেকে প্রায় দু'হাজার বছর আগে জেরুজালেমের এক আস্তাবলে জিশুর জন্ম হয়। তার পিতার নাম যােশেফ এবং মাতার নাম মেরী। খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের কাছে জিশুখ্রিস্ট হলেন ধর্মীয় নেতা। তাঁর জন্মদিবস পালনের উৎসবকে বলে ‘এক্সমাস ডে’ আনন্দের উৎসব। পুরাে ডিসেম্বর মাস জুড়ে চলে এই উৎসবের প্রস্তুতি। পৃথিবীকে পাপমুক্ত করতে আবির্ভাব ঘটেছিল যিশুর। এই  দিনে গির্জায় গির্জায় ভক্তেরা যিশুর বন্দনায় মত্ত হয়। এবং পাপমুক্ত জীবনের জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন। চারিদিক আলােয় ঝলমলিয়ে ওঠে। নতুন পােশাকে সজ্জিত হয়ে ওঠে সকলে। সুন্দর সুন্দর উপহার দেয় একে অপরকে। ‘এক্সমাস ডে’-র আর একটা আকর্ষণীয় দিক হল ‘কেক’। আত্মীয়-বন্ধুরা কেক বিতরণ করে এবং একে অপরকে শুভেচ্ছা জানায়। এইভাবেই বড়ােদিনের উৎসব খুশি ও আনন্দ...

গঙ্গাদূষণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Ganges Pollution | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

গঙ্গাদূষণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Ganges Pollution | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গঙ্গাদূষণ নদনদীর সঙ্গে যে-কোনাে দেশের মানুষের রয়েছে নিবিড় যােগ। দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে নদীর প্রভাব খুব বেশি। দেশের নদীপ্রবাহ ও জনপ্রবাহ এক সূত্রে গাঁথা। নদী জল দেয়, রুক্ষ প্রান্তরকে করে তােলে শস্যশ্যামল,-নদীতে নৌকা, জাহাজ, ব্যাবসা-বাণিজ্যের জিনিসপত্র নিয়ে ঘাটে ঘাটে ভেড়ে। নদীর তীরে গড়ে ওঠে শহর-বন্দর। এমনিভাবে সভ্য মানুষের প্রভূত উপকারসাধন করে নদী।ভারতবর্ষের অন্যতম নদী গঙ্গা। কোটি কোটি ভারতীয় নরনারীর জীবনে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক দিক থেকেও গঙ্গানদীর প্রভাব অপরিসীম। হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে এর উৎপত্তি। উৎসমুখ থেকে মােহানা পর্যন্ত গঙ্গানদী ২,৫২৫ কিলােমিটার বিস্তৃত। বহু জনপদের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে গঙ্গা। এর তীরে তীরে গড়ে উঠেছে অনেক তীর্থ—এর জলে বিধৌত হয়েছে  বহু প্রান্তর। গঙ্গা তাই ভারতীয়দের কাছে কল্যাণময়ী জননীস্বরূপিণী।গঙ্গাকে বলা হয়েছে পতিতােদ্ধারিণী, সুখদা, মােক্ষদা গঙ্গ। কিন্তু সেই গঙ্গা আধুনিক যন্ত্রসভ্যতার কবলে পড়ে আজ পীযুষ...

রথের মেলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Chariot Fair | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

রথের মেলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Chariot Fair | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI রথের মেলা ‘মেলা’ শব্দটির সঙ্গে আমরা সকলেই পরিচিত। কোনাে উৎসব অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের মিলনক্ষেত্র হল মেলা। আমাদের দেশে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের মেলা বসে। যেমন- রথের মেলা, চড়কের মেলা, গাজনের মেলা ইত্যাদি। এইসব মেলার মধ্যে রথের মেলা সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য। সাধারণত বর্ষাকালে অর্থাৎ আষাঢ় মাসে রথের মেলা বসে। এই উৎসব প্রধানত জগন্নাথদেবকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলা চলে সাতদিন। গ্রামের বড়াে মাঠের মধ্যে রথের মেলা বসে। দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন ধরনের গাছপালা বিক্রি হয়। এছাড়া সংসারের নানা ধরনের জিনিস, ছােটোদের খেলনা, বাঁশের বাঁশি, পুতুল, মেয়েদের সাজার জিনিস, রং-বেরং এর চুড়ি ইত্যাদি জিনিসও বিক্রি হয়। আর বসে নানারকমের খাবারের দোকান। এর মধ্যে সবথেকে বেশি যে খাবারটি মানুষকে আকর্ষণ করে তা হল পাঁপড় ভাজা ও জিলিপি। মেলার নাগরদোলা, সার্কাস, ম্যাজিক, ইলেকট্রিকের বিভিন্ন দ্রব্য অন্যতম আকর্ষণের দ্রব্য। এই সব মিলিয়ে মেলার সাতদিন বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে পূর্ণ থাকে। ধনী-দরিদ্র, জাতি-ধর্ম-ন...

জাতিভেদ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Casteism | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

 জাতিভেদ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Casteism | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI   জাতিভেদ সমাজকে নানা শ্রেণিতে বিভক্ত করে বিভিন্ন প্রকার মর্যাদা ও সুযােগসুবিধা দেওয়াই জাতিভেদের মূল কথা। ভারতে হিন্দু সমাজে জাতিভেদ যেমন উৎকটরূপে দেখা যায়, তেমন বােধ হয় আর কোনাে দেশে নয়। এদেশে হিন্দুদের মধ্যে জাতিভেদের মূল ভিত্তি বােঝাবার জন্য শ্রীকৃষ্ণের একটি উক্তি প্রায়ই উদ্ধৃত করা হয়- চাতুর্বণ্য ময়া সৃষ্টং গুণকর্মবিভাগশঃ।অর্থাৎ গুণ এবং কর্মের বিভাগ অনুসারেই আমার দ্বারা চার বর্ণ (ব্রাহ্মণ, ক্ষয়িত্র, বৈশ্য, শূদ্র) সৃষ্ট হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণই এমন করেছিলেন কিনা, অথবা শ্রীকৃষ্ণ ঠিক কোন্ যুগে এটি করেছিলেন, এইসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া কঠিন। কিন্তু এটা ঠিক যে, প্রায় দু-হাজার বছর যাবৎ যে বৈদিক সভ্যতা বিরাজ করেছিল, তার এক প্রধান অংশে হিন্দুরা ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র—প্রধানত এই চার বর্ণে বিভক্ত ছিল। ব্রাহ্মণ পৌরােহিত্য, সমাজবিধান পরিচালনা ইত্যাদি করতেন। ক্ষত্রিয়ের প্রধান কাজ ছিল যুদ্ধ ও দেশরক্ষা। বৈশ্যগণ ব্যাবসাবাণিজ্য করতেন। শূদ্রদের কাজ ছিল অন্য তিন বর্ণের সেবা করা।...

আমার প্রিয় বই - Bangla Essay on My Favourite Book | Bangla Essay for Class IV & V

আমার প্রিয় বই - Bangla Essay on My Favourite Book | Bangla Essay for Class IV & V আমার প্রিয় বই - Bangla Essay on My Favourite Book | Bangla Essay for Class IV & V FOR RESPONSIVE WEBSITE DESIGN CALL KREATION AT 09432337373 Shop at Flipkart, Amazon or Snapdeal

জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on National Solidarity And Separatism | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on National Solidarity And Separatism | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ জাতীয় সংহতি বলতে বােঝায় কোনাে জাতির জনসাধারণের মধ্যে একতার মনােভাব। বস্তুতপক্ষে যে-কোনাে স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নতির মূলে সর্বাগ্রে প্রয়ােজন দেশের জনগণের মধ্যে নিবিড় ঐক্যবােধ। দেশের মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধ হয় ও সম্মিলিতভাবে কাজ করে, তবে সে দেশ ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগিয়ে যায়। জাতীয় সংহতি কেবল জাতির উন্নতিসাধনই করে না—দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে এবং বৈদেশিক শাসন প্রতিহত করে। তাই যে-কোনাে স্বাধীন রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও উন্নতির মূলশক্তি হল জাতীয় সংহতি।ভারতবর্ষ বহু জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের দেশ। এখানে বৈচিত্র্য রয়েছে অনেক। এই বৈচিত্র্যহেতু ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে বিরােধ-সংঘাতও যথেষ্ট হয়েছে। কিন্তু সেটাই বড়াে কথা নয়, বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যসাধনই ছিল ইতিহাসের লক্ষ্য। ভারতবর্ষের ইতিহাসের প্রধান সার্থকতা এই বৈচিত্র্যের মধ্যেঐক্যসাধন। ভারতবর্ষ অধিকার করে ব্রিটিশ শাসক উপলব্ধি করেছিল এ দেশের মূলশক্তি—নিবিড় জাতীয়ত...

একতাই বল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Unity is Strength | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

একতাই বল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Unity is Strength | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI একতাই বল যে কোনাে জাতির পক্ষে এক অন্যতম মহৎ গুণ। যে-জাতির মধ্যে একতা বিরাজ করে, সে জাতিকে কেউ ধ্বংস করতে পারে না। একতার উদ্দেশ্যই হল পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধনে জাতীয় উন্নতিসাধন। একতার মতাে বড়াে শক্তি আর নেই। একতা থাকলেই সমাজজীবনের উন্নতি সম্ভব, নতুবা পারস্পরিক বিদ্বেষ ও বিবাদ এসে তার ভিত্তি শিথিল করে দেয়। যখন বহু লােকের মধ্যে পারস্পরিক সহযােগিতার মনােভাব বিরাজ করে, তখনই বুঝতে হবে। সেখানে একতা আছে। একের অভাবে যখন দশজন এসে সাহায্য করে, একের বিপদকে যখন সকলে নিজেদের প্রত্যেকের বিপদ বলে গণ্য করে, তখনই সেখানে একতা থাকে। পরস্পরের সাহায্য, সহযােগিতা ও সহানুভূতিতেই একতার বন্ধন সুদৃঢ় হয়। একতাই মানুষকে পরস্পরের নিকটবর্তী করে ; আর অনৈক্য মানুষকে হিংসা, দ্বেষ ও কলহের ভিতর দিয়ে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।ইংরেজ জাতি পূর্ব গােলার্ধে একদিন যে আধিপত্য বিস্তার করেছিল, তার মূল কারণ একতা। আমরা  যে আড়াই শত বৎসরের পর স্বাধীন হবার গৌরব অর্জন করেছি, তার প্রধান কারণও একতা। ভারতের অধিকাংশ নরনারীই স্বা...