Skip to main content

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI


ভারতে নদীর গুরুত্ব


উচ্চ পর্বত বা উচ্চভূমি থেকে নির্গত হয়ে নদী যখন সুদীর্ঘ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়, তখন তা অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। কিন্তু শুধু প্রাকৃতিক শােভা সৃষ্টি করাই নদীর কাজ নয়। মানবসভ্যতায় নদীর অন্যান্য গুরুত্ব অসীম। বিশেষত সুপ্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় সভ্যতায় নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। ভারতের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদীর উপত্যকায় গড়ে উঠেছিল। বৈদিক সভ্যতার কালেও নদীর তীরেই অধিকাংশ রাজধানী ও নগর স্থাপিত হয়েছিল। দৃষ্টান্তস্বরূপ গঙ্গানদীর তীরে অবস্থিত কাশী, পাটলিপুত্র ইত্যাদি নগরের নাম উল্লেখ করা যায়। এছাড়া নদীগুলি যাতায়াতের এবং মালপত্র পরিবহনের প্রধান উপায় ছিল। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলিতে বছরের সবসময় পর্যাপ্ত জল থাকে না এবং আরও নানা কারণে এগুলি সারাবছর পরিবহনের উপযুক্ত থাকে না। কিন্তু উত্তর ভারতের গঙ্গা, ব্ৰত্মপুত্র এবং অন্যান্য বহু নদীতে সারাবছর প্রচুর জল থাকে বলে পরিবহন, জলসেচ ইত্যাদি কাজে এগুলি প্রভূত উপকার করে।বর্তমান যুগেও নদী প্রাচীনকালের মতােই মানবসভ্যতার সেবা করছে। কলকাতা মহানগরী হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত। এই হুগলি নদীর দুই তীরেই পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞল অবস্থিত। অসমের ডিব্ৰুগড়, গুয়াহাটি ইত্যাদি শহর ব্রম্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত। উত্তর ভারতের বিখ্যাত কানপুর শিল্পনগরী গঙ্গার তীরে অবস্থিত। শিল্পের জন্য মালপত্র এবং প্রচুর লােকজন পরিবহনের কাজে বর্তমান যুগেও নদীগুলির গুরুত্ব যথেষ্ট। হুগলি নদীর দুই তীরে যেসব পাটকল ও অন্যান্য কারখানা আছে, সেগুলি নদীর বুকে জেটি তৈরি করে যেভাবে কাঁচাপাট ও অন্যান্য মালপত্র তুলবার ব্যবস্থা করছে, তা বেশ আকর্ষণীয় দৃশ্য।  নদীগুলি জলসেচের কাজেও প্রচুর সাহায্য করে। নদী থেকে খাল কেটে শস্যক্ষেত্র পর্যন্ত জলধারা প্রবাহিত করে ভারতে বিপুল পরিমাণ কৃষিকাজ করা হয়। তা ছাড়া নদীর প্রাথমিক গতির তীব্রতাকে কাজে লাগিয়ে ও উচ্চস্থানে নদীতে বাঁধ দিয়ে ভারতে যে পরিমাণ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তা রীতিমতাে উল্লেখযােগ্য। নদীগুলি থেকে প্রচুর পরিমাণ মাছও পাওয়া যায়। কলকাতা, কানপুর, বারাণসী, গুয়াহাটি ইত্যাদি শহরের কাছে স্টিমলঞ্চ, স্টিমার, নৌকা প্রভৃতির দ্বারা লক্ষ লক্ষ লােকের পরিবহন কাজ হয়।। দুঃখের বিষয়—কারখানাগুলি থেকে, স্টিমার ইত্যাদি থেকে এবং অন্যান্যভাবে বর্তমানে নদীগুলির বিশেষত গঙ্গানদীর জল দূষিত হয়ে উঠেছে। সরকার গঙ্গানদীর দূষণরােধে ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। তবে এ-ব্যাপারে জনসাধারণের সহযােগিতাও প্রয়ােজন।যদি নদীগুলিকে পরিচ্ছন্ন রাখা যায়, তবে সেগুলি প্রবহমান কালের মতাে বর্তমান যুগেও মানুষের উপকার করবে। আর নদীর জল যদি দূষিত হয়ে চলে, তা মানুষের সর্বনাশ ডেকে আনবে।

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI







BIRTHDAY HOROSCOPE BY DATE OF BIRTH



January

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


February

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th


March

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


April

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


May

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


June

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


July

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


August

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


September

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


October

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


November

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


December

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st

Popular posts from this blog

বাংলার শ্রমিক - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Workers of Bengal | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বাংলার শ্রমিক - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Workers of Bengal | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI  বাংলার শ্রমিক কায়িক শ্রমের বিনিময়ে যারা দিনগুজরান করে তাদেরই প্রধানত শ্রমিক বলা হয়। ব্যাপক অর্থে সর্বপ্রকার চাকুরিজীবিকেই শ্রমিক বলা গেলেও ‘শ্রমিক’ শব্দটি বিশেষ এক ধরনের শ্রমজীবিকেই বুঝিয়ে থাকে। বাংলার শ্রমিক সাধারণের মধ্যে আত্মসচেতনতা ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা একদিকে যেমন মালিকের শােষণনীতির বিরুদ্ধে সােচ্চার প্রতিবাদ জানাচ্ছে তেমনই অন্যদিকে জীবনের সর্বতােমুখী বিকাশের ক্ষেত্রেও অভিনিবেশ করছে। স্বাধীন ভারতে বর্তমানে একাধিক আইন পাশ করে কলকারখানা, খনি ও বাগিচা শ্রমিকদের কর্মের সুযােগ-সুবিধা ও নিরাপত্তার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের কাজের সময়সীমা নির্দিষ্ট করা হয়েছে, তাদের বাসস্থানকে স্বাথ্যকর পরিবেশে গড়ে তােলার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে, নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, শিক্ষাদীক্ষা, খেলাধুলাের ব্যাপারেও নজর রাখা হয়ছে। সরকারি আইনে শ্রমিকদের বহুবিধ সুবিধার দিকে নজর রাখা হলেও তাদের জীবন মােটেই স্বচ্ছল নয়। লে-অফ, লক-আউট, বিভিন্ন ইউনিয়নের পারস্পরিক কলহ শ্রমিকদের...

কয়লা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Coal | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

কয়লা  - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Coal | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI কয়লা হাজার হাজার বছর আগে পৃথিবীতে ঘন অরণ্য ছিল । ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক কারণে ভূগর্ভে গাছপুলাে চলে যায় ৷ সেখানে ভুস্তরের চাপে ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কারণে সেই গাছ শক্ত হয়ে কয়লায় পরিণত হয়েছে ৷ নানা শ্রেণির কয়লা পাওয়া যায় ৷ রান্না করবার জন্য এক প্রকার কয়লা ; ধাতুদ্রব্য গলাবার জন্য ব্যবহার করা হয় অন্য প্রকার কয়লা ৷ কয়লা একটি অতি প্রয়োজনীয় জিনিস I কয়লা নানা কাজে ব্যবহার করা হয় ৷ কয়লা দিয়ে রান্না হয় ৷ এ ছাড়া কয়লা দিয়ে কলকারখানা, রেলগাড়ি, স্টিমার প্রভৃতি চলে ৷ কয়লা থেকে কোল গ্যাস পাওয়া যায়, যা ব্যবহার করা হয় রান্নার কাজে ও আলো জ্বালানোর কাজে ৷ কয়লা থেকে পাওয়া যায় আলকাতরা, ন্যাপথলিন ও অন্যান্য গন্ধ দ্রব্য ৷ রূপ নেই, কিন্তু গুণ আছে I আর সেই গুণের জন্য কয়লার মূল্য অসাধারণ ৷ কয়লা আমাদের সভ্যতাকে অনেক দূর এগিয়ে দিয়েছে I কয়লা  - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Coal | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI কয়লা  - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Coal | Bang...

ক্ষুদিরাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Khudiram Bose | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ক্ষুদিরাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Khudiram Bose | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI ক্ষুদিরাম দেশের জন্য ক্ষুদিরাম প্রাণ দিয়েছেন। মাত্র উনিশ বছর বয়সে ক্ষুদিরামের ফাসি হয়। মারা যাওয়ারপর বাংলার বাউল বৈরাগীরাও এই শহিদের জন্য চোখের জল ফেলেছেন। তাদের কণ্ঠের গান আমরা সবাই জানি— ‘হাতে যদি থাকত মা ছােরা তাের ক্ষুদি কি পড়ত ধরা?' ক্ষুদিরামের ধরা পড়ার কষ্ট আমরা প্রতিটি বাঙালি আজও অনুভব করি।মেদিনীপুর জেলার মউবনী গ্রামে ক্ষুদিরামের জন্ম।ছেলেবেলায় তিনি বাবা মাকে হারান। বড়াে বােনের কাছে মায়ের আদরে তিনি মানুষ হন। স্কুলে পড়ার সময়ই তিনি মেদিনীপুরের বিপ্লবী দলে যােগ দেন। তিনি নিয়মিত ব্যায়াম ও খেলাধুলা করতেন। ক্লাসের বই ছেড়ে তিনি  দেশ বিদেশের মনীষী ও যােদ্ধাদের জীবনকথা পড়তেন, নিয়মিত গীতা পাঠ করতেন। স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন ক্ষুদিরামের আদর্শ মানুষ। মানুষের রােগে, শােকে, বিপদে-আপদে ক্ষুদিরাম উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে যেতেন। ইংরেজ বিচারক কিংস ফোর্ডের অত্যাচার বাংলার বিপ্লবীদের মনে আগুন জ্বালিয়েছিল। ' তাঁকে হত্যার জন্য ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকিকে বিহারের মজফফরপুরে পাঠানাে হয...

বর্ষাকাল - Bangla Essay on Rainy Season | Bangla Essay for Class III

বর্ষাকাল - Bangla Essay on BarshaKaal | Bangla Essay for Class III

উট - Bangla Essay on Camel | Bangla Essay for Class III & IV

উট - Bangla Essay on Camel | Bangla Essay for Class III & IV Bangla Essay on Camel উট - Bangla Essay on Camel | Bangla Essay for Class III & IV FOR DOMAIN NAME BOOKING, WEBSITE HOSTING AND WEBSITE DESIGNING CALL KREATION AT 09432337373 Shop at Flipkart, Amazon or Snapdeal

দূরদর্শন - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Television | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

দূরদর্শন - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Television | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI দূরদর্শন টেলিভিশন বা দূরদর্শন নিঃসন্দেহে বিজ্ঞানের একটি অভাবনীয় দান। বেতার যন্ত্রের মাধ্যমে মানুষ শুধু কানে শুনে তৃপ্ত হতে পারেনি। তাই সৃষ্টি হয়েছে দূরদর্শনের। দূরদর্শনের মাধ্যমে মানুষ সরাসরি সবকিছু প্রত্যক্ষ করতে পারে। ভারতে দূরদর্শনের যুগের সূচনা ১৯৫৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। ১৯৬৫ সালের ১৫ আগস্ট নিয়মিত অনুষ্ঠান সূচির প্রবর্তন করা হয়েছে। ১৯৭৪ সালে কলকাতায় ইডেন উদ্যানে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট খেলা প্রথম দেখানাে হয়েছিল। তারপর এখানে নিয়মিত ভাবে দূরদর্শন চালু হয়েছে ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট থেকে। দূরদর্শনের মাধ্যমে মানুষ শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখতে পায়। তা ছাড়া ছাত্রদের জন্যে বিজ্ঞানভিত্তিক অনুষ্ঠান দূরদর্শনে দেখান হয়ে থাকে। আর সিনেমা, থিয়েটার, যাত্রা এই সব অনুষ্ঠান তাে আছেই সাধারণ মানুষের মনােরঞ্জনের জন্যে। বেতারযন্ত্র আগে যেমন প্রচারের মাধ্যম ছিল, এখন তার জায়গা দখল করেছে দূরদর্শন। অতি সম্প্রতি আমরা সূর্যগ্রহণের দৃশ্যগুলাে দূরদর্শনের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করে মনের আশা মিটিয়ে ছিলাম। এ ছাড়া পৃথিবীর যে ...

বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বর্ষাকাল আষাঢ় ও শ্রাবণ এই দু-মাস বর্ষাকাল ৷ তবে আমাদের রাজ্যে জৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি থেকেই বর্ষা শুরু হয় এবং আশ্বিন মাস পর্যন্তই কমবেশি বৃষ্টি হয় ৷ তবে আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে প্রায় রোজই বৃষ্টি হয় I নদীনালা, পুকুর, খাল জলে ভরে যায় ৷ গাছপালা সবুজ ও সতেজ হয়ে ওঠে I  বর্ষাকালে কদম, কেতকী, জুঁই প্রভৃতি ফুল ফোটে I এই  সময় কলেরা, আমাশা টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি নানা রোগের প্ৰকােপ দেখা দেয় I বন্যাও হয় I এতে মানুষের খুব অসুবিধা হলেও মানুষ বর্ষার জন্য অপেক্ষা করে I বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বর্ষাকাল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Rainy Season | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বাংলার উৎসব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Bengali Festival | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বাংলার উৎসব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Bengali Festival | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বাংলার উৎসব ‘এত ভঙ্গ বঙ্গদেশ তবু রঙ্গে ভরা’—এ তাে শুধু কথা নয়—এ তাে চিরচঞ্চল। প্রাণময় বাঙালির জীবন। বারাে মাসে তেরাে পার্বণের মেলাপ্রাঙ্গণ বাংলার বুকে। রােগে, শােকে, দুঃখে মারি-মন্বন্তরে বাংলা ভুলে যায়নি তার উৎসবের মেজাজ। দুর্যোগঘন তিমির রাতেও জ্বলে তার প্রাণের দীপালি। প্রাত্যহিক জীবনের তুচ্ছতাকে ভুলে বাঙালি কিন্তু বিশ্বভূপের ছায়া দেখে তার উৎসবে। প্রাণের আবেগেও চাপা পড়েনি তার মেলবন্ধন। হৃদয় জুড়াতে শ্মশানের বুকে রােপণ করে পঞ্চবটী। পয়লা বৈশাখ নববর্ষের প্রথম দিন থেকে চৈত্রের চিতাভস্ম উড়িয়েও তার উৎসবের বিরাম নেই। ধর্মীয়, রাষ্ট্রিক এবং শ্রমিকশ্রেণির বিজয় অভিযানের স্মারক পয়লা ‘মে’-তেও তার উৎসাহ উদ্দীপনায় ভাটার টান ধরে না। বাংলার বর্ষবরণের পর তালপাতার ভেঁপু বাজিয়েরা রথের মেলায় চলে দলে দলে। পর্যায় ক্রমে আসে অকালবােধনে দুর্গাপুজো, কোজাগরী পূর্ণিমা, দেওয়ালি, পৌষপার্বণ, সরস্বতী পুজো, দোলযাত্রা, বাসন্তী পুজো  আর চড়ক পুজো। এছাড়া স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবস পালন, আ...

জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on National Solidarity And Separatism | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on National Solidarity And Separatism | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ জাতীয় সংহতি বলতে বােঝায় কোনাে জাতির জনসাধারণের মধ্যে একতার মনােভাব। বস্তুতপক্ষে যে-কোনাে স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নতির মূলে সর্বাগ্রে প্রয়ােজন দেশের জনগণের মধ্যে নিবিড় ঐক্যবােধ। দেশের মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধ হয় ও সম্মিলিতভাবে কাজ করে, তবে সে দেশ ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগিয়ে যায়। জাতীয় সংহতি কেবল জাতির উন্নতিসাধনই করে না—দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে এবং বৈদেশিক শাসন প্রতিহত করে। তাই যে-কোনাে স্বাধীন রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও উন্নতির মূলশক্তি হল জাতীয় সংহতি।ভারতবর্ষ বহু জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের দেশ। এখানে বৈচিত্র্য রয়েছে অনেক। এই বৈচিত্র্যহেতু ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে বিরােধ-সংঘাতও যথেষ্ট হয়েছে। কিন্তু সেটাই বড়াে কথা নয়, বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যসাধনই ছিল ইতিহাসের লক্ষ্য। ভারতবর্ষের ইতিহাসের প্রধান সার্থকতা এই বৈচিত্র্যের মধ্যেঐক্যসাধন। ভারতবর্ষ অধিকার করে ব্রিটিশ শাসক উপলব্ধি করেছিল এ দেশের মূলশক্তি—নিবিড় জাতীয়ত...

একতাই বল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Unity is Strength | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

একতাই বল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Unity is Strength | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI একতাই বল যে কোনাে জাতির পক্ষে এক অন্যতম মহৎ গুণ। যে-জাতির মধ্যে একতা বিরাজ করে, সে জাতিকে কেউ ধ্বংস করতে পারে না। একতার উদ্দেশ্যই হল পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধনে জাতীয় উন্নতিসাধন। একতার মতাে বড়াে শক্তি আর নেই। একতা থাকলেই সমাজজীবনের উন্নতি সম্ভব, নতুবা পারস্পরিক বিদ্বেষ ও বিবাদ এসে তার ভিত্তি শিথিল করে দেয়। যখন বহু লােকের মধ্যে পারস্পরিক সহযােগিতার মনােভাব বিরাজ করে, তখনই বুঝতে হবে। সেখানে একতা আছে। একের অভাবে যখন দশজন এসে সাহায্য করে, একের বিপদকে যখন সকলে নিজেদের প্রত্যেকের বিপদ বলে গণ্য করে, তখনই সেখানে একতা থাকে। পরস্পরের সাহায্য, সহযােগিতা ও সহানুভূতিতেই একতার বন্ধন সুদৃঢ় হয়। একতাই মানুষকে পরস্পরের নিকটবর্তী করে ; আর অনৈক্য মানুষকে হিংসা, দ্বেষ ও কলহের ভিতর দিয়ে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।ইংরেজ জাতি পূর্ব গােলার্ধে একদিন যে আধিপত্য বিস্তার করেছিল, তার মূল কারণ একতা। আমরা  যে আড়াই শত বৎসরের পর স্বাধীন হবার গৌরব অর্জন করেছি, তার প্রধান কারণও একতা। ভারতের অধিকাংশ নরনারীই স্বা...