Skip to main content

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI


ভারতে নদীর গুরুত্ব


উচ্চ পর্বত বা উচ্চভূমি থেকে নির্গত হয়ে নদী যখন সুদীর্ঘ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়, তখন তা অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। কিন্তু শুধু প্রাকৃতিক শােভা সৃষ্টি করাই নদীর কাজ নয়। মানবসভ্যতায় নদীর অন্যান্য গুরুত্ব অসীম। বিশেষত সুপ্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় সভ্যতায় নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। ভারতের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদীর উপত্যকায় গড়ে উঠেছিল। বৈদিক সভ্যতার কালেও নদীর তীরেই অধিকাংশ রাজধানী ও নগর স্থাপিত হয়েছিল। দৃষ্টান্তস্বরূপ গঙ্গানদীর তীরে অবস্থিত কাশী, পাটলিপুত্র ইত্যাদি নগরের নাম উল্লেখ করা যায়। এছাড়া নদীগুলি যাতায়াতের এবং মালপত্র পরিবহনের প্রধান উপায় ছিল। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলিতে বছরের সবসময় পর্যাপ্ত জল থাকে না এবং আরও নানা কারণে এগুলি সারাবছর পরিবহনের উপযুক্ত থাকে না। কিন্তু উত্তর ভারতের গঙ্গা, ব্ৰত্মপুত্র এবং অন্যান্য বহু নদীতে সারাবছর প্রচুর জল থাকে বলে পরিবহন, জলসেচ ইত্যাদি কাজে এগুলি প্রভূত উপকার করে।বর্তমান যুগেও নদী প্রাচীনকালের মতােই মানবসভ্যতার সেবা করছে। কলকাতা মহানগরী হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত। এই হুগলি নদীর দুই তীরেই পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞল অবস্থিত। অসমের ডিব্ৰুগড়, গুয়াহাটি ইত্যাদি শহর ব্রম্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত। উত্তর ভারতের বিখ্যাত কানপুর শিল্পনগরী গঙ্গার তীরে অবস্থিত। শিল্পের জন্য মালপত্র এবং প্রচুর লােকজন পরিবহনের কাজে বর্তমান যুগেও নদীগুলির গুরুত্ব যথেষ্ট। হুগলি নদীর দুই তীরে যেসব পাটকল ও অন্যান্য কারখানা আছে, সেগুলি নদীর বুকে জেটি তৈরি করে যেভাবে কাঁচাপাট ও অন্যান্য মালপত্র তুলবার ব্যবস্থা করছে, তা বেশ আকর্ষণীয় দৃশ্য।  নদীগুলি জলসেচের কাজেও প্রচুর সাহায্য করে। নদী থেকে খাল কেটে শস্যক্ষেত্র পর্যন্ত জলধারা প্রবাহিত করে ভারতে বিপুল পরিমাণ কৃষিকাজ করা হয়। তা ছাড়া নদীর প্রাথমিক গতির তীব্রতাকে কাজে লাগিয়ে ও উচ্চস্থানে নদীতে বাঁধ দিয়ে ভারতে যে পরিমাণ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তা রীতিমতাে উল্লেখযােগ্য। নদীগুলি থেকে প্রচুর পরিমাণ মাছও পাওয়া যায়। কলকাতা, কানপুর, বারাণসী, গুয়াহাটি ইত্যাদি শহরের কাছে স্টিমলঞ্চ, স্টিমার, নৌকা প্রভৃতির দ্বারা লক্ষ লক্ষ লােকের পরিবহন কাজ হয়।। দুঃখের বিষয়—কারখানাগুলি থেকে, স্টিমার ইত্যাদি থেকে এবং অন্যান্যভাবে বর্তমানে নদীগুলির বিশেষত গঙ্গানদীর জল দূষিত হয়ে উঠেছে। সরকার গঙ্গানদীর দূষণরােধে ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। তবে এ-ব্যাপারে জনসাধারণের সহযােগিতাও প্রয়ােজন।যদি নদীগুলিকে পরিচ্ছন্ন রাখা যায়, তবে সেগুলি প্রবহমান কালের মতাে বর্তমান যুগেও মানুষের উপকার করবে। আর নদীর জল যদি দূষিত হয়ে চলে, তা মানুষের সর্বনাশ ডেকে আনবে।

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI
ভারতে নদীর গুরুত্ব - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Importance of Rivers in India | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI







BIRTHDAY HOROSCOPE BY DATE OF BIRTH



January

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


February

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th


March

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


April

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


May

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


June

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


July

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


August

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


September

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


October

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


November

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


December

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st

Popular posts from this blog

ভারতের জাতীয় খেলা : হাডুডু বা কাবাডি - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Indian National Game : Kabaddi | Bangla Paragraph Writing for Class IIII - VI

ভারতের জাতীয় খেলা : হাডুডু বা কাবাডি - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Indian National Game : Kabaddi | Bangla Paragraph Writing for Class IIII - VI ভারতের জাতীয় খেলা হাডুডু বা কাবাডি হাডুডু বা কাবাটি খেলায় সমস্ত শরীরের ভালো ব্যায়াম হয় । এই খেলা ক্ষিপ্ৰতা , ধৈর্য ও শৃঙ্খলাবোধ বাড়ায় ৷ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের গ্ৰামাঞ্চলে এই খেলাটি খুবই জনপ্রিয় ৷ এই খেলায় প্রত্যেক দলে ১২ জন করে খেলোয়াড় থাকে ৷ তার মধ্যে ৭ জন খেলায় অংশগ্রহণ করে, বাকি ৫ জন অতিরিক্ত খােলায়াড় ৷ দুটি অর্ধে খেলা হয় I প্রথম অর্ধে যে দল আক্রমণ করে , তাদের একজন খােলায়াড় মুখে হাডুডু, হাডুডু বা কাবাডি কাবাডি শব্দ করতে করতে বিপক্ষ দলের সীমানায় গিয়ে  কাউকে ছুঁয়ে নিজের সীমানায় ফিরে আসতে পারলে ১ পয়েন্ট পায় । যে খেলোয়োড়কে ছুঁয়ে দেয় যে আউট  হয়ে যায় ৷ অপর দিকে বিপক্ষ দল যদি … এই  খেলোয়াড়কে তাদের সীমানায় আটকে রাখতে পারে তারা ১ পয়েন্ট পায় ৷ একসঙ্গে কোনো দলের সাতজন খেলোয়াড়ই আউট হয়ে গেলে বিপক্ষ দল দুটি পয়েন্ট পায় I যিনি খেলা পরিচালনা করেন তাকে বলে আম্পায়ার ৷ এ ছাড়া  থাকেন দুজন লাইন্সম্যান...

সমাজে ছাত্রদের কর্তব্য - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Duty of Students in Society | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

সমাজে ছাত্রদের কর্তব্য - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Duty of Students in Society | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI  সমাজে ছাত্রদের কর্তব্য আজকাল ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে সমাজের সকলেই চিন্তিত। সকলেরই ধারণা, বর্তমানে ছাত্রসমাজ ঠিকভাবে নিজেদের কর্তব্যপালন করছে না। সুতরাং ছাত্রদের কর্তব্য কী—তা ভালাে করে বােঝা দরকার। দেশের বা সমাজের প্রয়ােজন অনুযায়ী যাতে মানুষ গঠন করা যায়, স্কুল বা কলেজ সেজন্যে চেষ্টা করে। বর্তমানে স্কুলকলেজের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রচুর পরিবর্তন ঘটেছে। স্কুলে বই-এর চাপ কমানাে হয়েছে, পরীক্ষাব্যবস্থা পাল্টানাে হয়েছে। 'কর্মশিক্ষা, শারীরশিক্ষা এবং বিদ্যালয় কার্যক্রমসহ সমাজসেবা’ নামে একটি বিষয়ের জন্যে একশাে নম্বর রাখা হয়েছে। ছাত্রদের প্রথম কর্তব্য হবে এই নতুন ব্যবস্থাকে সফল করে তুলবার জন্যে সহযােগিতা করা। ছাত্রদের দ্বিতীয় কর্তব্য হবে বিদ্যাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যালাভ করতে করতে নিজেদের চরিত্রগঠন করা। ভবিষ্যতে দেশের উপযুক্ত নাগরিক হয়ে উঠতে গেলে, মানুষরুপে উন্নত হতে গেলে, চরিত্র গঠনের বিশেষ প্রয়ােজন। কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা, একসঙ্গে কাজ করার মনােভাব, নেতৃত্ব দেও...

বিজ্ঞানের দান - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Gift of Science | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

বিজ্ঞানের দান - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Gift of Science | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI বিজ্ঞানের দান ‘বিজ্ঞান’ বলতে আমরা কী বুঝি? ‘বিজ্ঞান’ শব্দের অর্থ হল ‘বিশেষ জ্ঞান’। ব্যবহারিক ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত প্রকৃতির অন্তর্নিহিত রহস্যের উপলব্ধি করাকেই বিজ্ঞান বলে থাকি। যাঁরা এই রহস্য উপলদ্ধি করে নানারূপ তথ্য আবিষ্কার করেন, তারাই হলেন প্রকৃত বৈজ্ঞানিক। বিজ্ঞান যে মানুষের ও পৃথিবীর কত উপকার করেছে তা বলে শেষ করা যায় না। বিজ্ঞানকে নানা শ্রেণিতে ভাগ করা যেতে পারে। যেমন—রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, গণিতশাস্ত্র ভূ-বিজ্ঞান, জীব-বিজ্ঞান, চিকিৎসা-বিজ্ঞান, খনি-বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং আরও কত কি! প্রকৃতপক্ষে ধর্ম, কাব্য, উপন্যাস ইত্যাদি থেকে পৃথক সকল রকম বিদ্যাই বিজ্ঞানের অন্তর্গত। বিজ্ঞান চিরসত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তার সকল তথ্যের পিছনেই যুক্তি আছে, প্রমাণ আছে। বিজ্ঞানের কল্যাণে আজ আমরা স্থলপথে, জলপথে ও আকাশপথে দ্রুতগামী যানে আরােহণ করে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই বহুদূর। অতিক্রম করছি। বিজ্ঞানের কল্যাণে পাচ্ছি বিদ্যুৎ, বেতার, টেলিগ্রাম, টেলিভিশন, কম্পিউটার। বিজ্ঞান চিকিৎসাক্ষেত্রে যুগান...

ক্ষুদিরাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Khudiram Bose | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ক্ষুদিরাম - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Khudiram Bose | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI ক্ষুদিরাম দেশের জন্য ক্ষুদিরাম প্রাণ দিয়েছেন। মাত্র উনিশ বছর বয়সে ক্ষুদিরামের ফাসি হয়। মারা যাওয়ারপর বাংলার বাউল বৈরাগীরাও এই শহিদের জন্য চোখের জল ফেলেছেন। তাদের কণ্ঠের গান আমরা সবাই জানি— ‘হাতে যদি থাকত মা ছােরা তাের ক্ষুদি কি পড়ত ধরা?' ক্ষুদিরামের ধরা পড়ার কষ্ট আমরা প্রতিটি বাঙালি আজও অনুভব করি।মেদিনীপুর জেলার মউবনী গ্রামে ক্ষুদিরামের জন্ম।ছেলেবেলায় তিনি বাবা মাকে হারান। বড়াে বােনের কাছে মায়ের আদরে তিনি মানুষ হন। স্কুলে পড়ার সময়ই তিনি মেদিনীপুরের বিপ্লবী দলে যােগ দেন। তিনি নিয়মিত ব্যায়াম ও খেলাধুলা করতেন। ক্লাসের বই ছেড়ে তিনি  দেশ বিদেশের মনীষী ও যােদ্ধাদের জীবনকথা পড়তেন, নিয়মিত গীতা পাঠ করতেন। স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন ক্ষুদিরামের আদর্শ মানুষ। মানুষের রােগে, শােকে, বিপদে-আপদে ক্ষুদিরাম উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে যেতেন। ইংরেজ বিচারক কিংস ফোর্ডের অত্যাচার বাংলার বিপ্লবীদের মনে আগুন জ্বালিয়েছিল। ' তাঁকে হত্যার জন্য ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকিকে বিহারের মজফফরপুরে পাঠানাে হয...

একটি গাছ একটি প্রাণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on A Tree A Life | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

একটি গাছ একটি প্রাণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on A Tree A Life | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI একটি গাছ একটি প্রাণ “আয় আমাদের অঙ্গনে অতিথি বালক তরুদল— মানবের স্নেহ অঙ্গনে চল্ আমাদের ঘরে চল্।” —রবীন্দ্রনাথ বৃক্ষ মানুষের আপনজন, জননীতুল্য। বৃক্ষই পৃথিবীতে প্রাণের অগ্রদূত। মানুষের আগমনের পূর্বেই সে পৃথিবীতে এসে মানুষের জন্য খাদ্য এবং শীতল ছায়া দিয়ে প্রতীক্ষা করছিল তার আবির্ভাবের বিশ্বকবির কবিতায় গাছ ‘আদিপ্রাণ'। কিন্তু বর্তমান শহরকেন্দ্রিক সভ্যতায় কৃতঘ্ন মানুষ নিজহস্তে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে ধোঁয়ায় পরিপূর্ণ পরিবেশ। তবে ধীরে ধীরে বৃক্ষরােপণের প্রয়ােজনীয়তা মানুষের মধ্যে শুভবােধ জাগ্রত করছে। আমাদের দেশের বনভূমি জাতীয় উৎপাদনে এক উল্লেখযােগ্য ভূমিকা পালন করে। এই বনভূমি কেটে ফেলার অর্থ মরুভূমির সূচনা, মৃত্যুপুরীর আহ্বান। অর্থাৎ অনাবৃষ্টি, খরা, অনুর্বর শস্যখেত, দূষিত পরিবেশ। অরণ্যায়নের মাধ্যমে সম্ভব হয় মরুভূমির বশীকরণ। বৃক্ষরােপণের উদ্দেশ্যই হল অরণ্যের তরু শিশুদলকে মানব সমাজের সান্নিধ্যে আহ্বান করা। পর্যাপ্ত সংখ্যক বৃক্ষরােপণ দিতে পারে ধরণীর ক্ষতবেদনা নিরাময় কর...

একটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ স্থানে ভ্রমণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Travel to A History Famous Place | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

একটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ স্থানে ভ্রমণ  - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Travel to A History Famous Place | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI একটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ স্থানে ভ্রমণ তাজমহলের ছবি দেখেছি অনেক, তার সম্পর্কে রচিত কত কবিতা পড়েছি, শুনেছি কত মন-পাগল-করা গান। তাই অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত, কবিতা-মর্মরিত ও সংগীত-মুখরিত সেই পবিত্র সমাধি মন্দির দেখার ইচ্ছে আমার মনে বহুকাল ধরেই  সঞ্চিত রয়েছে। সেবারের পূজার ছুটিতে এল তাজমহল দেখার দুর্লভ সুযােগ। হাওড়া স্টেশনের যাত্রী, কুলি, বাক্স-সুটকেসের ভিড়, তুমুল হৈ-চৈ, ব্যস্ততা, কোলাহল পেরিয়ে বিকেল তিনটেয় পরিবারসহ আগ্রায় যমুনা নদীর তীরে গিয়ে হাজির হলাম। নানা মূল্যবান রত্নে খচিত তাজমহলের পাশ দিয়ে যমুনা কল্লোলিত রবে বয়ে চলেছে, নদীতে পড়েছে তার ছায়া। আমার আশৈশব স্বপ্নের তাজমহলকে দেখে মনে হল, যেন শ্বেত মর্মরের পাতায় রচিত একটি কালজয়ী অমর কবিতা—‘একবিন্দু নয়নের জল/কালের কপােলতলে শুভ্র সমুজ্জ্বল/এ তাজমহল। এই তাজমহলকে কেন্দ্র করেই কবি-সাহিত্যিকরা তাঁদের কবিতায় ও সংগীতে সম্রাট শাজাহানের পত্নীপ্রেমের গভীরতা ও তার অন্তর্বেদনাক...

সর্বশিক্ষা অভিযান - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Sarva Shiksha Abhiyan | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

সর্বশিক্ষা অভিযান - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Sarva Shiksha Abhiyan | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI  সর্বশিক্ষা অভিযান সর্বশিক্ষা অভিযানের মূল স্লোগান সবার উন্নতি, সবার জন্য শিক্ষা। ১৯৫০ সালে ভারতবর্ষের সংবিধানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং বাসভূমি ব্যবস্থার নির্দেশনা গৃহীত হয়েছিল। সেই সংবিধান স্বীকৃতি জানিয়েছিল সর্বজনীন অবৈতনিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক হবে। কিন্তু ২০০৭ সাল পর্যন্ত দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গ শুধু নয় ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রদেশে নিরক্ষরতার অবস্থান বিশেষ উদ্বেগজনক। নব্বই-এর দশক থেকে সারা দেশ জুড়ে সর্বশিক্ষা অর্থাৎ সকলের জন্য শিক্ষার এক নৈতিক অভিযান শুরু হয়। রাজ্য বাজেটের ২৬ শতাংশ অর্থ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ হলেও সমস্যার গভীরে এখনও উপনীত হওয়া যায়নি, ফলে কেন্দ্র, রাজ্য উভয়েই এক অভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। বাংলার ভূ-প্রকৃতির গঠন অনুসারে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের সমতলভূমিতে মানুষের প্রধান জীবিকাই হল কৃষি। সেই কৃষক এবং তার সহযােগী অনেক শিশু বাংলায় কৃষিকাজেই মননানিবেশ করে, ফলে গ্রামীণ সমাজব্যবস্থায় বহু কিশাের, কিশােরী বিদ্যায়তনের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হতে পারেনি। সেইসব পিছি...

গাছপালার প্রয়োজনীয়তা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Plant Requirement | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

গাছপালার প্রয়োজনীয়তা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Plant Requirement | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গাছপালার প্রয়োজনীয়তা গাছ সমস্ত প্রাণীজগতের পরম বন্ধু। গাছ ছাড়া প্রাণীজগৎ বাঁচতে পারে না। বেঁচে থাকতে হলে প্রাণীজগতের যে অক্সিজেন প্রয়ােজন হয় তা গাছ থেকেই পাওয়া যায়। মানুষের ও প্রাণীজগতের খাদ্যের চাহিদা মেটায় গাছপালা। জ্বালানির কাজেও গাছেরও প্রয়ােজন আছে। গাছের কাঠ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্র তৈরি করা হয়। কিন্তু বর্তমানে শিল্পকর্মের প্রসার ঘটানাের কারণে অবাধে গাছ কাটা হচ্ছে। এরফলে সমস্ত জীবকুল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ গাছের সংখ্যা কমে গেলে পৃথিবীতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাবে ফলে প্রাণীকুল মারা পড়বে। পৃথিবীকে  দূষণমুক্ত করতে সাহায্য করে গাছপালা। গাছ মাটির ক্ষয়রােধ করতে সাহায্য করে। ঝড়, অতিরিক্ত বৃষ্টি, বজ্রপাত এদের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। পরিবেশ সুস্থ রাখতে গাছের অবদান অনস্বীকার্য। বর্তমানে মানুষের সচেতনতা অনেক বেড়েছে। মানুষ এখন গাছ লাগানাের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। চারিদিকে চলছে বৃক্ষরােপণ উৎসব। কারণ মানুষ এখন গাছের প্রয়ােজনীয়তা সম্পর্কে স...

একটি ব্যস্ত রাস্তা | Bangla Essay on A Busy Road | Bangla Essay for Class V & VI | বাংলা প্রবন্ধ

একটি ব্যস্ত রাস্তা | Bangla Essay on A Busy Road | Bangla Essay for Class V & VI | বাংলা প্রবন্ধ একটি ব্যস্ত রাস্তা | Bangla Essay on A Busy Road | Bangla Essay for Class V & VI | বাংলা প্রবন্ধ

পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Pandit Iswar Chandra Vidyasagar | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Pandit Iswar Chandra Vidyasagar | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ভূমিকা : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আসল নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি শুধু বিদ্যারই সাগর ছিলেন না, ছিলেন—করুণাসাগর, দয়ার সাগর। জন্ম ও বংশ পরিচয় : মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে ১৮২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরচন্দ্রের জন্ম হয়। তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। মাতার নাম ভগবতী দেবী। শিক্ষা : পাঁচ বছর বয়সে গ্রামের পাঠশালায় ভরতি হন। সেখানে পড়াশােনা শেষ করে সাড়ে আট বৎসর বয়সে বাবার সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন এবং কলকাতার সংস্কৃত কলেজে  ভরতি হন। ছােটোবেলা থেকেই তিনি খুব মেধাবী ছিলেন। পিতার আর্থিক অবস্থা ভালাে না থাকার দরুন তাঁকে  ছােটোবেলায় খুব কষ্ট করে লেখাপড়া শিখতে হয়েছিল। তাঁকে রান্না করে খেতে হত এবং রাস্তার আলােতেই পড়তে হত। এভাবে কষ্ট করে তিনি বিদ্যালাভ করেন। সংস্কৃত কলেজ থেকেই তিনি 'বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন। কর্মজীবন : লেখাপড়া শেষ করে তিনি চাকরিতে যােগ দেন। তিনি সংস্কৃত কলেজের অধ...