Skip to main content

বরানগরের ইতিহাস | History of Baranagar

 


একটি দুষ্প্রাপ্য ছবি

চিত্র সৌজন্যে :সৌনক মহারাজ

এই ছবি অতি প্রাচীন । বরানগর কুঠিঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে তোলা বেলুড় মঠের শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দির তৈরি চলছে ।

**ছবির সময়কাল অনুমান : খুব সম্ভবত ১৯৩০-১৯৩৮ এর মধ্যবর্তী। কারণ ১৯৩৮ সালে মূল মন্দিরটির তৈরি হয়ে গেছিল।



নীলাম্বরবাবুর বাগান বাড়ীর দ্বিতল বারান্দা থেকে গঙ্গা দর্শন এবং দূরে বরানগর শহর। এখানেই শ্রীমা সারদাদেবী থাকতেন এবং এই বারান্দা থেকেই অপরূপা গঙ্গা দর্শন করতেন।


কাঁচের মন্দির।এখানেই গঙ্গা নদীর ঠিক বিপরীতে বেলুড় মঠ দৃশ্যমান। গঙ্গার প্রবহমান স্রোতের শব্দ আর মন্দিরের এক আশ্চর্য নীরবতা এবং প্রকৃতি এখানে মিলেমিশে এক হয়ে যায়।


ভবতারিণী মায়েরা তিন বোন দুই বোন থাকেন টালাব্রিজের এপারে , মা ভবতারিণীর ছোটবোন ব্রহ্মময়ী কালি বাড়ি বা প্রামানিক কালীবাড়ি ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে তৈরি হয় এই কালীবাড়ি।  এনাকেই নাকি রামকৃষ্ণদেব "মাসি "বলে ডাকতেন তবে মা  এখানে তালাবন্দি।

ভবতারিণী মা মেজ বোন এরা এই সম্পর্কে বোন যে,এই মূর্তি গুলির কারিগর ছিলেন কাটোয়ার দাই হাটের নবীন ভাস্কর। বর্ধমানের মহারাজা তাকে একটি কষ্টি পাথরের পাহাড় থেকে কিছুটা পাথর উপহার দিয়েছিলেন আর সেই একটি পাথর খন্ড থেকেই এই তিন মূর্তি গুলি তৈরি করেন নবীন ভাস্কর । গর্ভগৃহ হিসেবে  মানানসই মূর্তি মেজো মা ভবতারিণীকে রানী রাসমণির পছন্দ হয়ে যায় সেই থেকেই মা ভবতারিণী দক্ষিণেশ্বরে পূজিত হচ্ছেন।


প্রামানিক ঘাট রোডে প্রামানিক কালীবাড়িতে পূজিত হচ্ছেন ছোটমা ব্রহ্মময়ী।বরানগর বা বরাহনগর একটি উত্তর কলকাতার প্রাচীন জনপদ সপ্তদশ শতকে এখানে ডাচরা একটি কুঠি স্থাপন করেন। এখনও এখানে একটি পাড়ার ও ঘাটের নাম হচ্ছে কুঠিঘাট। বরাহনগর নামের উৎপত্তির অনেক মত, প্রথমতঃ অনেকে বলেন এই গঙ্গার ধারে প্রচুর শুকরের উৎপাত ছিল তাই এর নাম বরাহনগর এবং "স্টেরনসাম মাস্টারের"  লেখনি  রোজনামচা থেকে জানা যায় ১৬৭৬--৭৭ সালে বরানগরে ডাচদের একটা শুয়োরের মাংস জারণ বা ম্যারিনেট করার কারখানা ছিলো। এই তথ্য আমরা হরিসাধন মুখোপাধ্যায়ের  "কলিকাতার সেকাল ও একাল "এর বই থেকে পাই তার জন্য নাকি এইরকম নামকরণ। আরো এক মতে বহু আগে বরাহ নামে এক সিদ্ধ মুনি বাস করতেন তিনি ছিলেন বিক্রমাদিত্যের নবরত্ন সভার বরাহমিহির জ্যোতিষ বিজ্ঞানে বিখ্যাত "ক্ষণা"র শ্বশুর মশাই,ভিন্নমতে হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বঙ্গীয় শব্দকোষ এ "বরহা" বলে যে শব্দটি পাওয়া যায় তার অর্থ ময়ূরপুচ্ছ তিন চারশ বছর আগের থেকেই এই গ্রামে ময়ূর ও ময়ূর পুচ্ছ এর বাজার ছিল। অনুমান করা হয় যে পাশের অঞ্চলেরএই জন্যই বোধহয় নামকরণ হয়েছিল চিড়িয়ামোড় । তাই মনে করা হয় আদি গ্রামটির নাম ছিল বরাহনগর। ৩ অক্টোবর প্রথমেই আমাদের গন্তব্য স্থল ছিল কুটি ঘাটের গঙ্গার ধারে যেখানে আজ থেকে অন্তত 30 -- 35 থেকে 40 বছর আগে আমাদের বরানগর থানা ছিল, এখন যেটা পোড়োবাড়িতে পরিণত হয়েছে, তার পাশেই কৃপাময়ী কালিবাড়ি বা জয় মিত্র কালীবাড়ি কথিত আছে রানী রাসমণিএই স্থাপত্য দেখেই  দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের স্থাপত্য অনুসরণ বা অনুকরণ করেছিলেন এখানেও দেখা যাবে নাট মন্দিরের সামনে মায়ের মন্দির মন্দিরের চারপাশে বারোটি শিবের মন্দির যদিও আজ অযত্নের ফলে চারিপাশে আগাছা ভর্তি সবচেয়ে খারাপ লাগলো মন্দিরের গা ঘেঁষে একটি নির্মীয়মান বহুতল, যেটা আমার চোখে বড্ড বেমানান। 

সতীদাহ ঘাটে এখন যেটা বয়স্কদের বসার ছোট্ট একটি পার্ক , একসময় এইখানে আশেপাশের অঞ্চলের মেয়েদের সতী করা হত। রামকৃষ্ণ সংঘের প্রথম মঠ বরানগর মঠ , যেখানে সর্বপ্রথম স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর শিষ্যদের নিয়ে রামকৃষ্ণ সংঘের পথ চলা শুরু করেছিলেন এখনো পর্যন্ত রামকৃষ্ণ সংঘ সেখানে আর্তের সেবা কার্য চালিয়ে যাচ্ছে। পথমধ্যে পড়ল স্বামী বিবেকানন্দের সহপাঠীও প্রিয় বন্ধু দাশরথি সান্যাল মশাই এর বাড়ী  যা কিনা স্বামিজি পদধূলি ধন্য যদিও এখন সেটা বহুতলে পরিণত। বাবা তারকভোলার মন্দির অষ্টধাতু অন্নপূর্ণা মন্দির এখানে নাকি মা অন্নপূর্ণা শাঁখারি র থেকে শাঁখা পরে এসে সেবায়েতের  কাছে শাঁখার দাম নিতে শাঁখারিকে পাঠান এবং সেবাইত মন্দিরে গিয়ে দেখেন বন্ধ মন্দিরে মায়ের হাতে একজোড়া নতুন শাঁখা। বরানগর বাজারের কালী বাড়ির মা যেখান থেকে কিনা রামকৃষ্ণদেব যখন কাশীপুর উদ্যানবাটী যেতেন  মাকে প্রণাম করে তবেই যেতেন।


ঠাকুরের ছবি এবং বরানগরের ভক্ত - এক অজানা কাহিনী

বেলুড় -এ একদিন স্বামী অখণ্ডানন্দ মহারাজ কথাচ্ছলে আমাদের বলেছিলেন - " ঠাকুরের যে ছবি পূজা হয় , তার সম্বন্ধে কিছু জানিস ? " আমরা বিশেষ কিছু জানি না বলাতে তিনি বলেন : " বরানগরের ভক্ত ভবনাথ ( স্বামীজীর বন্ধু )ঠাকুরের ফটো তুলতে চায় । একদিন অনেক অনুরোধ করে । পরদিন বরানগর থেকেই এক ফটোগ্রাফার সঙ্গে নিয়ে এসেছে বিকেলের দিকে । ঠাকুরকে প্রথমে রাজি করাতে পারেনি । ঠাকুর রাধাকান্তের মন্দিরের দিকে চলে গেলেন । 

ইত্যবসরে স্বামীজী এসে পড়েছেন । সব শুনে বললেন , " দাঁড়া , আমি সব ঠিক করছি ।" এই বলে রাধাকান্তের মন্দিরের উত্তরদিকে রকের ওপর যেখানে ঠাকুর বসেছিলেন , সেখানে গেলেন ও তাঁর সঙ্গে ভগবৎ-প্রসঙ্গ আরম্ভ করলেন । ঠাকুর সমাধিস্থ হয়ে গেলেন । স্বামীজী উঠে গিয়ে তাদের ডেকে নিয়ে এসে বললেন , " তাড়াতাড়ি ক্যামেরা ফিট কর । "

সমাধিতে ঠাকুরের শরীর একটু হেলে গিয়েছিল । ক্যামেরাম্যান ঠাকুরের চিবুক ধরে সোজা করে দিতে গেছে , চিবুক ধরা মাত্র ঠাকুরের শরীর হালকা কাগজের মতো হাতের সঙ্গে উঠে পড়েছে । তখন স্বামীজী বললেন " ওকি করছিস , শীঘ্র শীঘ্র ক্যামেরা ফিট কর । " ক্যামেরাম্যান যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি ফটো তুলে নিল । এই ঘটনা ঠাকুর কিছুই জানতেন না । 

কয়েকদিন পরে ভবনাথ যখন প্রিন্ট করা ছবি নিয়ে এল , ঠাকুর দেখে বললেন , " এ মহাযোগের লক্ষণ , এই ছবি কালে ঘরে ঘরে পূজা হবে । "

  •   স্বামী নির্বাণানন্দ






BIRTHDAY HOROSCOPE BY DATE OF BIRTH



January

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


February

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th


March

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


April

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


May

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


June

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


July

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


August

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


September

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


October

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st


November

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th


December

1st 2nd 3rd 4th 5th 6th 7th
8th 9th 10th 11th 12th 13th 14th
15th 16th 17th 18th 19th 20th 21st
22nd 23rd 24th 25th 26th 27th 28th
29th 30th 31st

Popular posts from this blog

একটি গাছ একটি প্রাণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on A Tree A Life | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

একটি গাছ একটি প্রাণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on A Tree A Life | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI একটি গাছ একটি প্রাণ “আয় আমাদের অঙ্গনে অতিথি বালক তরুদল— মানবের স্নেহ অঙ্গনে চল্ আমাদের ঘরে চল্।” —রবীন্দ্রনাথ বৃক্ষ মানুষের আপনজন, জননীতুল্য। বৃক্ষই পৃথিবীতে প্রাণের অগ্রদূত। মানুষের আগমনের পূর্বেই সে পৃথিবীতে এসে মানুষের জন্য খাদ্য এবং শীতল ছায়া দিয়ে প্রতীক্ষা করছিল তার আবির্ভাবের বিশ্বকবির কবিতায় গাছ ‘আদিপ্রাণ'। কিন্তু বর্তমান শহরকেন্দ্রিক সভ্যতায় কৃতঘ্ন মানুষ নিজহস্তে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে ধোঁয়ায় পরিপূর্ণ পরিবেশ। তবে ধীরে ধীরে বৃক্ষরােপণের প্রয়ােজনীয়তা মানুষের মধ্যে শুভবােধ জাগ্রত করছে। আমাদের দেশের বনভূমি জাতীয় উৎপাদনে এক উল্লেখযােগ্য ভূমিকা পালন করে। এই বনভূমি কেটে ফেলার অর্থ মরুভূমির সূচনা, মৃত্যুপুরীর আহ্বান। অর্থাৎ অনাবৃষ্টি, খরা, অনুর্বর শস্যখেত, দূষিত পরিবেশ। অরণ্যায়নের মাধ্যমে সম্ভব হয় মরুভূমির বশীকরণ। বৃক্ষরােপণের উদ্দেশ্যই হল অরণ্যের তরু শিশুদলকে মানব সমাজের সান্নিধ্যে আহ্বান করা। পর্যাপ্ত সংখ্যক বৃক্ষরােপণ দিতে পারে ধরণীর ক্ষতবেদনা নিরাময় কর...

ছাত্রজীবন - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Student Life | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ছাত্রজীবন - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Student Life | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI  ছাত্রজীবন ছাত্রজীবন মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই সময়ে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানার্জন করে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাই। ছাত্রজীবনের মূল লক্ষ্য হল পড়াশােনা। কিন্তু পড়াশােনার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, অভিভাবক এবং শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের প্রতি আনুগত্য—এগুলিও আমাদের শিক্ষণীয় বিষয় বলে বিবেচিত হওয়া প্রয়ােজন। যে সমস্ত মহাপুরুষ নিজেদের মহৎ কর্মের ফলে আমাদের কাছে প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে আছেন তারা প্রত্যেকেই শিক্ষার সঙ্গে শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও নিয়মানুবর্তিতা ইত্যাদিকে সদগুণ হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন। বাল্যকালে শিক্ষার্থীদের মন থাকে অপরিণত, তাই তাদের সে সময় বিপথগামী হওয়ার যথেষ্ট সম্ভবনা থাকে। নানা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের চাপে পড়ে বহু শিক্ষার্থীর জীবন কু-সংসর্গে নষ্ট হয়ে যায়। তাই শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের চলার পথে এমন মানুষের সঙ্গে সংস্রব গড়ে তােলা উচিত, যাতে তারা বিভ্রান্ত হয়ে ভুল পথের দিকে পরিচালিত না হয়। এ ব্যাপারে মা-বাবা ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের পরামর্শ অতি অবশ্যই মেনে...

শীতের রাত - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Winter Night | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

শীতের রাত  - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Winter Night | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI  শীতের রাত  শীতের রাত থমথমে । সন্ধ্যা হতে না হতেই মানুষ - পশু - পাখি নিজ নিজ আশ্রয়ে ফিরে আসে । ঘরে ঘরে আলাে নিভে যায় । কর্মচঞ্চল গ্রাম ও শহর ঘুমে ঢুলতে থাকে । ধীরে ধীরে রাত গভীর হয় । শহরের পথে লাঠি ঠুকে ঠুকে চলে পাহারাদার । বিদ্যুৎবাতিগুলাে অসহায়ের মতাে রাস্তার দু - ধারে দাঁড়িয়ে থাকে । গ্রামে গ্রামে চৌকিদারদের খবরদারি শােনা যায় । কুকুরগুলাে ঘেউ ঘেউ করে ডেকে চলে । অনেক দূর থেকে কানে আসে শিয়ালের 'হুক্কা হুয়া ’ ডাক । কোথাও কোনাে মজলিস থেকে গানের শব্দ ভেসে আসে । পাতায় পাতায় টুপ্ টুপ্ করে শিশির খসে পড়ে ; মনে হয় যেন অনেক ভূত পা টিপে টিপে চলছে । ভয়ে গায়ে দেয় কাঁটা । রাত শেষ প্রহরে এসে পৌঁছােয় । কাকের ডাক ভােরের সংকেত জানিয়ে যায় । শীতের রাত  - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Winter Night | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI শীতের রাত  - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Winter Night | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI শীতের রাত  - বা...

ছাত্রজীবনে খেলাধুলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Sports in Student Life | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ছাত্রজীবনে খেলাধুলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Sports in Student Life | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI  ছাত্রজীবনে খেলাধুলা খেলাধুলাে ও শরীরচর্চা প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। দেহে মনে সুস্থ থাকার খেলাধুলাে খুবই জরুরি। খেলাধুলাের বাস্তব প্রয়ােজনীয়তা কোনােভাবেই অস্বীকার করা যায় না। জীবনের আনন্দ উচ্ছল ভাষা ও প্রাণের জোয়ার এনে দিতে পারে খেলাধুলাে। এই কারণেই ছাত্রজীবনে খেলাধুলাের গুরুত্ব অপরিসীম। ভগ্নস্বাস্থ্যে জ্ঞানচর্চা বিঘ্নিত হয়। নিষ্ক্রিয় অবসন্ন না হয়ে খেলাধুলাের মধ্য দিয়ে অবসরের মুহূর্তগুলােকে সদ্ব্যবহার করা দরকার। খেলাধুলােই মানুষকে সুশৃঙ্খল শিক্ষা দেয়। জীবন গঠনে সমষ্টিবােধ ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্রজীবনে খেলাধুলাের ভূমিকা অপরিসীম। সমাজ স্বার্থকে বড়াে করে দেখতে হলে খেলাধুলােই মানুষকে ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে নিয়ে যেতে পারে। আবার খেলাধুলাের মাধ্যমে মানুষের সততা, নিষ্ঠা ও নৈতিক চরিত্রের উন্নয়ন সম্ভব। খেলাধুলােকে পাঠক্রমের অঙ্গীভূত করলে জাতীয় উন্নয়নে গতি আনা সম্ভব। মনে রাখতে হবে খেলার মাঠ জীবন মঞ্চের একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ। এখানেই। হতাশার সান্ত্বনা, ...

সুজলা সুফলা পশ্চিমবাংলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on West Bengal | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

সুজলা সুফলা পশ্চিমবাংলা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on West Bengal | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI   সুজলা সুফলা পশ্চিমবাংলা ভূমিকা : ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট সােনার বাংলাদেশ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে জন্মনিল পশ্চিমবাংলা এবং পূর্ব পাকিস্তান। পূর্ব পাকিস্তান বর্তমানে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ। পশ্চিমবঙ্গ ৮৮,০০০ বর্গ কিলােমিটার ভূখণ্ড নিয়ে বর্তমানে ভারতের একটি বিশিষ্ট অঙ্গরাজ্য। পশ্চিমবঙ্গের ভূপ্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য : উত্তরে হিমালয়, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে আসাম ও বাংলাদেশ, পশ্চিমে নেপাল, বিহার ও ওড়িশা; তার মাঝখানে বিরাজ করছে পশ্চিমবঙ্গ। সুজলা, সুফলা, শস্যশ্যমলা এই পশ্চিমবঙ্গ। একেবারে উত্তরে রয়েছে হিমালয় ও তরাই অরণ্য, দক্ষিণে সুন্দরবন, পশ্চিমে শাল মহুয়ার জঙ্গল।এখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অপরূপ। উত্তরে হিমালয়ের কোলে শৈলনগরী দার্জিলিং শীতকালের বরফের পােশাক পরে এবং গ্রীষ্মকালে রং-বেরং-এর ফুল ফুটিয়ে বিশ্বের ভ্রমণ রসিকদের হাতছানি দেয়। নিম্নে সমভূমির বিশাল শস্যপ্রান্তর ও পশ্চিম প্রান্তের  শাল-মহুয়ার জঙ্গল বিভিন্ন ঋতুতে সাজে বিভিন্ন রূপসজ্জায়। শ্যাম...

ভারতের জাতীয় পশু : বাঘ | Bengali Essay on Indian National Animal : Tiger | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

ভারতের জাতীয় পশু : বাঘ | Bengali Essay on Indian National Animal : Tiger | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI ভারতের জাতীয় পশু : বাঘ  বাঘ বেড়াল জাতীয় বন্যপ্রাণী। ভারতের প্রায় সব রাজ্যেই বাঘ পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার’ পৃথিবী বিখ্যাত। বাঘের মুখটা গােলাকার। গায়ের রং হলুদ এবং তার ওপরে কালাে ডােরা দাগ। বাঘের তীক্ষ্ণ দাঁত আর থাবায় ধারালাে নখ আছে। বাঘের দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তি খুব প্রখর, তবে ঘ্রাণশক্তি ততটা প্রখর নয়। বাঘ দিনের বেলায় গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে কাটায়। রাতের বেলায় শিকারে বের হয়। বাঘের প্রিয় খাদ্য মাংস। বাঘ চুপিসাড়ে শিকারের কাছাকাছি গিয়ে হঠাৎ লাফিয়ে পড়ে এবংজোরালাে এক থাবায় প্রাণীটার ঘাড় ভেঙে দেয়। বাঘ সাঁতার কাটতেও বেশ পটু। বাঘিনি একসঙ্গে তিন-চারটে বাচ্চা দেয়। বাচ্চারা প্রথম প্রথম মায়ের দুধ খায়। একটু বড়াে হলে মাংস খেতে শেখে। বাঘ বুড়াে হয়ে গেলে বা শিকার না জুটলে অনেক সময় লােকালয়ে চলে আসে এবং গােরু ছাগল এবং মানুষ ধরে খায়। ভারতের জাতীয় পশু : বাঘ | Bengali Essay on Indian National Animal : Tiger | Bangla P...

গঙ্গাদূষণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Ganges Pollution | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

গঙ্গাদূষণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Ganges Pollution | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গঙ্গাদূষণ নদনদীর সঙ্গে যে-কোনাে দেশের মানুষের রয়েছে নিবিড় যােগ। দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে নদীর প্রভাব খুব বেশি। দেশের নদীপ্রবাহ ও জনপ্রবাহ এক সূত্রে গাঁথা। নদী জল দেয়, রুক্ষ প্রান্তরকে করে তােলে শস্যশ্যামল,-নদীতে নৌকা, জাহাজ, ব্যাবসা-বাণিজ্যের জিনিসপত্র নিয়ে ঘাটে ঘাটে ভেড়ে। নদীর তীরে গড়ে ওঠে শহর-বন্দর। এমনিভাবে সভ্য মানুষের প্রভূত উপকারসাধন করে নদী।ভারতবর্ষের অন্যতম নদী গঙ্গা। কোটি কোটি ভারতীয় নরনারীর জীবনে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক দিক থেকেও গঙ্গানদীর প্রভাব অপরিসীম। হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে এর উৎপত্তি। উৎসমুখ থেকে মােহানা পর্যন্ত গঙ্গানদী ২,৫২৫ কিলােমিটার বিস্তৃত। বহু জনপদের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে গঙ্গা। এর তীরে তীরে গড়ে উঠেছে অনেক তীর্থ—এর জলে বিধৌত হয়েছে  বহু প্রান্তর। গঙ্গা তাই ভারতীয়দের কাছে কল্যাণময়ী জননীস্বরূপিণী।গঙ্গাকে বলা হয়েছে পতিতােদ্ধারিণী, সুখদা, মােক্ষদা গঙ্গ। কিন্তু সেই গঙ্গা আধুনিক যন্ত্রসভ্যতার কবলে পড়ে আজ পীযুষ...

গাছ ও মানুষ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Tree and Human | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

গাছ ও মানুষ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Tree and Human | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গাছ ও মানুষ গাছ ও মানুষ দুজনই দুজনের পরিপূরক। দুজনেই দুজনের আত্মার আত্মীয়। সুপ্রাচীনকাল থেকে গাছ মানুষের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রেখেছে। গাছই মানুষের খাদ্য জোগায় এবং প্রাণ বাঁচায়। মানব সভ্যতার শুরুতে ছিল গাছপালা তরুলতা বেষ্টিত অরণ্য জীবন। গাছই প্রাণীজগতের খাদ্য ও শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে। গাছ থেকে উৎপন্ন পােশাক, আসবাব, ভেষজ দ্রব্য সবই মানবজীবনে অত্যন্ত জরুরি। বাতাসের দূষণ প্রতিরােধে গাছের ভূমিকা অপরিসীম। বিশ্বের মানুষ আজ বুঝতে পেরেছে গাছ ছাড়া তার বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই মানুষ গাছ লাগাচ্ছে প্রাণ বাঁচানাের তাগিদে। প্রাচীন মুনি-ঋষিরা গাছকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করতেন। শান্তিনিকেতনে মাঘােৎসবের দিনে রবীন্দ্রনাথ গাছ লাগাতেন, এমনকি রবীন্দ্রনাথ এই লােভক্লিষ্ট সভ্যতার পরিবর্তে অরণ্য জীবনে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। গাছ ও মানুষ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Tree and Human | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI গাছ ও মানুষ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Tree and Human ...

বর্ষাকাল - Bangla Essay on Rainy Season | Bangla Essay for Class III

বর্ষাকাল - Bangla Essay on BarshaKaal | Bangla Essay for Class III

একটি বর্ষার সন্ধ্যা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on A Monsoon Evening | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI

একটি বর্ষার সন্ধ্যা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on A Monsoon Evening | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI একটি বর্ষার সন্ধ্যা সারাদিন টুপ্ টাপ্ টুপ্ টাপ্ করে বৃষ্টি হচ্ছে। দেখতে দেখতে বিকেল নামল। পাখিদের ডাকাডাকি আর শােনা যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে দু-একটা কাকের ডাক কানে আসছে। গাঁয়ের চাষাভূষা মানুষেরা ভিজতে ভিজতে বাড়ি ফিরে আসছে। গােরুগুলাে হাম্বা রবে ডাকছে। ও-বাড়ির শচীনদা শহর থেকে ফিরে আসছে। তার মাথায় ছাতা, হাতে জুতাে। খেলার মাঠে জল দাঁড়িয়েছে বলে খেলা হয়নি। দূরে দিঘির পাড়ে কারা যেন ছিপ ফেলে মাছধরছে। সামনের জামরুল গাছে দুটো শালিক বসে বসে ভিজছে। আমি জানালার ধারে চুপচাপ বসে আছি। আকাশে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। দূর থেকে ভেসে আসছে মেঘের গুরু গুরু ধ্বনি। ঘরে ঘরে আলাে জ্বলে উঠল। সন্ধ্যা নিবিড় হয়ে এল। আমি টেবিলে লণ্ঠন রেখে পড়তে বসলাম। বাইরে এখনও অঝােরে বর্ষণ চলছে। বারবার আমার মনে আসছে রবীন্দ্রনাথের কবিতার সুর :নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে/তিল ঠাঁই আর নাহি রে....। একটি বর্ষার সন্ধ্যা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on A Monsoon Evening | Bangla Paragraph Writing for Class III - VI একটি বর্ষার সন্ধ্...